আমাদের দেশে শুরু হয়েছে করোনাভাইরাসের দ্বিতীয় ঢেউ। তাই এ ভাইরাসের হাত থেকে বাঁচতে আমাদের আরও বেশি সতর্ক হতে হবে। তাই জেনে নিন এই সময়ে যেসব খাবার থেকে আমাদের দূরে থাকতে
শ্বাসতন্ত্রের ক্ষতির পাশাপাশি বিষন্নতা, স্মৃতিশক্তি হ্রাসের মতো মানসিক-স্নায়বিক রোগ এবং পক্ষাঘাতের ঝুঁকিও বাড়িয়ে দেয় করোনা। এমনকি চিকিৎসা নিয়ে সুস্থ হয়ে ওঠার পর ছয় মাস পর্যন্ত এ রোগের লক্ষণ দেখা যেতে
গরম পড়তেই করোনার প্রাদুর্ভাব বেড়ে চলেছে। এ সময় ব্যক্তিগত সুরক্ষা বজায় রাখার বিকল্প নেই। করোনাভাইরাস সাধারণত হাতের মাধ্যমে শরীরে প্রবেশ করে। এজন্য কিছুক্ষণ পরপর হাত ধোয়া জরুরি। তবে বাইরে বের
করোনা থেকে সুস্থ হয়েও মানসিক বা স্নায়বিক সমস্যায় ভুগতে হয়েছে অনেককেই। সম্প্রতি এক গবেষণায় দেখা গেছে, কোভিড-১৯ থেকে সুস্থ হয়ে ওঠা লোকজনের এক তৃতীয়াংশ এ ধরনের সমস্যায় পড়েছেন। খবর রয়টার্সের।
বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস ৭ এপ্রিল। এ বছর দিবসের প্রতিপাদ্য ‘বিল্ডিং এ ফেয়ারার, হেলদিয়ার ওয়ার্ল্ড’ (একটি সুন্দর এবং সুস্থ বিশ্ব গড়ার লক্ষ্যে এগিয়ে যেতে হবে)। বলা হয়, স্বাস্থ্যই সকল সুখের মূল।
মা হওয়া একজন নারীর স্বপ্ন। কিন্তু কোনো কারণে যদি সেই গর্ভাধারণ মায়ের জন্য ঝুঁকির কারণ হয়, তাহলে সেটাকে ঝুঁকিপূর্ণ গর্ভাবস্থা বলা হয়। একটি গবেষণায় দেখা গেছে আমাদের দেশে ২০ থেকে
দেশে ফের করোনাভাইরাসের সংক্রমণ বেড়ে চলেছে। ইতোমধ্যে বহু মানুষ কোভিডে আক্রান্ত হয়েছেন। অনেক রোগীর মৃত্যু হয়েছে। তাই প্রাণঘাতী এ ভাইরাসে সংক্রমণ হলে বিশেষ যত্নের প্রয়োজন। এ সময় খাওয়ার ব্যাপারে খুবই
দিনে দুই একবার হাঁচি তো সবাই কমবেশি দিয়ে থাকেন। তবে শুধু ঠান্ডা লাগলেই যে বেশি হাঁচি হয়ে থাকে, তা কিন্তু নয়! বিভিন্ন কারণেই হাঁচি হতে পারে। অনেকের ক্ষেত্রে দেখা যায়,
গরমে চুল ও দাড়ির একটু বাড়তি যত্ন নেওয়ার প্রয়োজন হয়। কারণ এ সময় ত্বক হয়ে পড়ে তৈলাক্ত। সেইসঙ্গে প্রচুর ঘাম হওয়ায় ধুলা-বালি ত্বকে জমতে শুরু করে। যাদের মুখে দাড়ি আছে;
করোনা সংক্রমণ নিয়ে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে নানা গবেষণা চলছে। তা থেকে উঠে আসছে নানারকমের চমকপ্রদ তথ্য। রোগ নিয়ন্ত্রণ ও প্রতিরোধ কেন্দ্র (সিডিসি) দ্বারা প্রকাশিত নির্দেশনা অনুযায়ী কোনও দূষিত পৃষ্ঠ থেকে