সুস্থ থাকলে হলে খাদ্যতালিকায় অবশ্যই প্রোটিন রাখতে হবে। প্রোটিন শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। ডিম, মাছ ও মাংস ছাড়াও প্রোটিনের উৎস হতে পারে উদ্ভিজ্জ খাবার। প্রাণিজ উৎস বাদে প্রোটিনের চাহিদা
করোনা পৃথিবীর প্রায় সমস্ত মানুষের জীবন বদলে দিয়েছে। লকডাউন, বাড়ি থেকে পড়াশোনা, ওয়ার্ক ফ্রম হোম। এই সবকিছুর জন্যই মানুষ স্ক্রিনের উপর আরো বেশি নির্ভরশীল হয়ে পড়েছেন। সারাক্ষণ সকলে তাকিয়ে আছেন
শীতকালে শিশুর প্রতি নিতে হয়ে বাড়তি যত্ন। ঠান্ডা আবহাওয়া শিশুর কোমল শরীরে প্রভাব ফেলে। এ সময় শিশুরা জ্বর, ঠান্ডা, কাশি, গলাব্যথা, কানে সংক্রমণসহ ত্বকের বিভিন্ন সমস্যায় ভুগে থাকে। এজন্য শীতে
মোরব্বা বলতে মাথায় আসে মিষ্টি এক খাবার। মোরব্বা হয়তো কচি লাউ, নয়তো আমলকী, আর নয়তো আমের মোরব্বার কথা জানা আছে। কিন্তু কাঁচা হলুদের মোরব্বা শোনার পর হয়তো আকাশ থেকে পরার
মাথার চুল পড়া একটি সাধারণ সমস্যা। নারী-পুরুষ উভয়েরই চুল পড়ে। তবে মাত্রাতিরিক্ত চুল পড়লে এবং বিষয়টি টাকের পর্যায়ে চলে গেলে চিকিৎসা নেওয়া প্রয়োজন। এ নিয়ে চিন্তার অন্ত নেই। প্রথমেই জানা
আমরা যা খাই তাই আমাদের শরীরে শক্তি জোগায় করে। খাবার শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে শরীরকে সুস্থ রাখে। আমরা শুধু এ কথা গুলোর সঙ্গেই পরিচিত। কিন্তু কিছু খাবার আছে যা
শীতকালে অনেকেই গ্যাসের সমস্যায় ভোগেন। অনেকের আবার সারা বছরই এ সমস্যা দেখা দেয়। এ কারণে ঘন ঘন ওষুধ খান। তবে গ্যাসের সমস্যা কমাতে ঘন ঘন ওষুধ না খেয়ে প্রাকৃতিক উপায়েই
অতিরিক্ত ওজন শরীরের জন্য মোটেও ভালো নয়। মেদবহুল শরীরে বিভিন্ন রোগ বাসা বাধে। ওজন কমাতে আপনার ডায়েটে রাখতে পারেন ফুচকা। ফুচকাও কমাতে পারে বাড়তি ওজন। বিশ্বাস করতে কষ্ট হলেও সত্যিই
অনেক গৃহিণীই মাছ কাটতে কিংবা ধুতে গিয়ে পড়েন মুশকিলে। বিশেষ করে মাছ ধোয়ার সময় হাতে কাটা ফুটে যায় খুব সহজেই। এ ছাড়াও হাতে আঁশটে গন্ধটাও জেঁকে বসে। তার উপরে আবার
শিশুদের নাক বন্ধ হওয়া, সর্দি এবং হাঁচি দেওয়া খুবই সাধারণ একটি স্বাস্থ্য সমস্যা। শীতকালে এই সমস্যা বেশি দেখা দিতে পারে। রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা বিকাশমান থাকার কারণে তারা সবর্দাই জীবাণু সংক্রমণের