ঈদের পর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার বিষয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয় কোনো সিদ্ধান্ত নেয়নি। মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয় যে ঈদের পর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার সংবাদটি গুজব। এতে আরো বলা হয়, ‘বাংলাদেশ জাতীয় শিক্ষা
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মুজিববর্ষে দেশের একটি মানুষকেও গৃহহীন না রাখার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে কক্সবাজারে বিশ্বের বৃহত্তম জলবায়ু উদ্বাস্তু পুনর্বাসন প্রকল্পের উদ্বোধন করেছেন। প্রধানমন্ত্রী আজ সকালে গণভবন থেকে ভিডিও কানফারেন্সের মাধ্যমে
চলচ্চিত্রের ‘স্বার্থবিরোধী কর্মকান্ড’র অভিযোগে গেল সপ্তাহে সংবাদ সম্মেলন করে চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির সভাপতি মিশা সওদাগর ও সাধারণ সম্পাদক জায়েদ খানকে বয়কট ঘোষণা দিয়েছে চলচ্চিত্রের ১৮টি সংগঠন। মূলত মিশা-জায়েদের বিরুদ্ধে দূর্নীতি,
বিশ্বব্যাপী চলছে করোনাভাইরাসের তাণ্ডব। অন্যসব কর্মক্ষেত্রের মতো বিনোদন মিডিয়ার কাজকর্মও বন্ধ দীর্ঘদিন। কবে নাগাদ পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে- সেটিও অনিশ্চিত। আয়-রোজগার বন্ধ থাকায় বিপাকে পড়েছেন সবাই। কেউ কেউ ভুগছেন মানসিক অবসাদে।
৬শ’ বস্তিবাসীকে ফ্ল্যাটের চাবি হস্তান্তর করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার ভার্চুয়াল প্ল্যাটফর্মে গণভবন থেকে প্রধানমন্ত্রী উপকারভোগীদের কাছে ফ্ল্যাটের চাবি হস্তান্তর করেন। শেখ হাসিনা আশ্রয়ণ প্রকল্প-২ এর আওতায় বস্তিবাসীদের ফ্ল্যাট দেয়া হলো। কক্সবাজার
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অধীনে থাকা ছাপাখানা থেকেই মেডিক্যালের ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের প্রমাণ পেয়েছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। আজ বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) দুপুরে রাজধানীর মালিবাগে সিআইডি সদর দপ্তরে সংবাদে সম্মেলনে
করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ৫০ জনের মৃত্যু হয়েছে। তাদের মধ্যে ৪১ জন পুরুষ ও ৯ জন মহিলা এবং ২০ জন ঢাকা বিভাগের ও বাকিরা অন্যান্য বিভাগের।
সম্প্রতি অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকদের তৈরি করোনা ভ্যাকসিনের প্রথম ধাপের পরীক্ষায় সাফল্যের পরে বিশ্বজুড়ে প্রাণঘাতী ভাইরাসটি থেকে দ্রুত মুক্তি পাওয়ার একটি আশা জেগে উঠেছে৷ বিশ্বজুড়ে ভ্যাকসিন তৈরির এই প্রক্রিয়ায় খুশি বিশ্ব
বিশ্বজুড়ে করোনাভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা দেড় কোটি ছাড়িয়ে গেছে। আর মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে প্রায় সোয়া ৬ লাখে। জনস হপকিন্স বিশ্ববিদ্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার সকাল পর্যন্ত বিশ্বব্যাপী করোনাভাইরাসে (কোভিড-১৯) আক্রান্তের সংখ্যা
সামরিক ও কূটনৈতিক স্তরে একাধিক বৈঠক-আলোচনার পর এখনও অব্যাহত রয়েছে ভারত ও চীনের মধ্যে সীমান্ত সংঘাত। ভারতের পক্ষ থেকে দাবি করা হচ্ছে, লাদাখ সীমান্ত থেকে এখনো পিছু হঠেনি চীনের সেনারা।