করোনা ভাইরাসের মহামারিতে হাজার হাজার বার-রেস্তোরাঁ বন্ধ থাকায় মদ বিক্রিতেও ছিল ভাটা। পর্যাপ্ত ক্রেতা না থাকায় অবিক্রিত মদ-বিয়ার জমে নষ্ট হওয়ার উপক্রম। যার ফলে এগুলোর লোকসান ঠেকাতে অবিক্রিত এসব মদ থেকে জ্বালানি তৈরির করছে কর্তৃপক্ষ। আর এসব জ্বালানী ব্যবহার করা হচ্ছে রান্নার কাজে।
কর্তৃপক্ষ বলছে, মেয়াদোত্তীর্ণ মদ থেকে জ্বালানী তৈরি হলেও সেগুলো হয়ে যাবে নতুন। নষ্ট মদ থেকেই তৈরি হচ্ছে নবায়নযোগ্য জ্বালানি। আর সেই জ্বালানি কাজে লাগানো হচ্ছে পানি প্রক্রিয়াজাত কারখানায়।
মার্কিন গণমাধ্যম বলছে, অবিক্রিত মদের এই পুনর্ব্যবহার চলছে অস্ট্রেলিয়ায়। লকডাউনের কারণে অস্ট্রেলিয়ার মদ শিল্প বড় ধরণের ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছে। শুধু মে মাসেই দেশের অন্যতম শুঁড়িখানা লায়ন বিয়ারের ৪৫ লাখ লিটার বিয়ার অবিক্রিত রয়ে যায়।
অস্ট্রেলিয়ার অ্যাডেলেইডের শুড়িখানাগুলোর এমন অবিক্রিত লাখ লাখ লিটার বিয়ার প্রতিদিন জড়ো করা হচ্ছে স্থানীয় গ্লেনেলগ ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্টে। এখন বিয়ার ব্যবহার করেই তৈরি হচ্ছে জ্বালানি।
কারখানাটির সিনিয়র প্রডাকশন ম্যানেজার লিসা হানান্ত জানান, লকডাউনের কয়েক মাস ধরে প্রতি সপ্তাহে দেড় লাখ লিটার বিয়ার জমা হয়েছে কারখানায়। আর সেগুলো ব্যবহার করে জ্বালানি উৎপাদন বহুগুণ বেড়ে গেছে। গত মে মাসে ৩ লাখ ৫৫ হাজার ঘনমিটার বায়োগ্যাস উৎপাদন হয়েছে। জুনে উৎপাদন হয়েছে ৩ লাখ ২০ হাজার ঘনমিটার।
লিসা বলেন, এতো পরিমাণ জ্বালানি দিয়ে আমাদের কারখানায় ব্যবহারের পরও অন্তত ১২শ’ পরিবারের দৈনন্দিন জ্বালানি চাহিদা মেটানো যায়।