এ বছরের (২০২১ সালের) এসএসসি পরীক্ষা সংক্ষিপ্ত সিলেবাসে অনুষ্ঠিত হবে। বিষয়ভিত্তিক ২০ থেকে ২৫ শতাংশ সিলেবাস কমিয়ে সোমবার ঢাকা শিক্ষা বোর্ড থেকে আদেশ জারি করা হয়েছিল। তবে সারাদেশের শিক্ষার্থীদের দাবি ও বিভিন্ন বাস্তবতাকে বিবেচনায় নিয়ে প্রকাশিত ওই সিলেবাস আরও কমানো হচ্ছে।
এ নিয়ে বুধবার শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনির সভাপতিত্বে জাতীয় শিক্ষাক্রম পাঠ্যপুস্তক বোর্ডে (এনসিটিবি) এক সভা অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে সিলেবাস আরও কমানোর নির্দেশ দেন মন্ত্রী। এজন্য সংক্ষেপিত নতুন সিলেবাস আরও পরিমার্জন, সংশোধন করে কমিয়ে আনার কাজ এদিন থেকেই শুরু হয়ে গেছে।
এনসিটিবি সূত্র জানায়, ওই সভায় এসএসসি ও সমমানের জন্য তিন মাস এবং এইচএসসি ও সমমানের জন্য চার মাসে শেষ করা যায়-এমন সংক্ষিপ্ত সিলেবাস তৈরির নির্দেশ দেন শিক্ষামন্ত্রী। শিক্ষার্থীদের পরবর্তী শ্রেণির জন্য যোগ্য করে তুলতে ন্যুনতম মৌলিক সক্ষমতা অর্জনের (কোর কম্পিটেন্ট) সংক্ষিপ্ত সিলেবাস এক সপ্তাহের মধ্যে প্রণয়নে সংশ্নিষ্টদের নির্দেশ দেন তিনি।
সভায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব মো. মাহবুব হোসেন, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদফতরের (মাউশি) মহাপরিচালক অধ্যাপক ড. সৈয়দ মো গোলাম ফারুক, এনসিটিবির চেয়ারম্যান অধ্যাপক নারায়ণ চন্দ্র সাহা এবং এনসিটিবির কারিকুলাম সংশ্নিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
এনসিটিবির চেয়ারম্যান নারায়ণ চন্দ্র সাহা বলেন,’মন্ত্রী নির্দেশ দিয়েছেন, যেহেতু এসএসসির জন্য আগামী মাত্র তিন মাস আমরা ক্লাস করাতে পারবো এবং এইচএসসির জন্য চার মাস ক্লাস করাতে পারবো, সে কারণে সেই উপযোগী করে নতুন সিলেবাস তৈরি করতে হবে। আমরা আশা করছি, আগামী এক সপ্তাহের মধ্যেই নতুন সংক্ষিপ্ত সিলেবাস করতে পারবো।’
সভায় জানানো হয়, ২৫ জানুয়ারি এসএসসি সমমান ও সমমান এবং এইচএসসি সমমানের পরীক্ষার্থীদের জন্য যে সংক্ষিপ্ত সিলেবাস প্রকাশ করা হয়েছিল, তা আগামী ছয় মাস থওে ক্লাস নিয়েও শেষ করা সম্ভব ছিল না। কারণ পুরো সিলেবাসের কোনও অংশে মাত্র ৩০ শতাংশ আবার কোনও অংশে মাত্র ২০ শতাংশ কমানো হয়েছিল। যেনতেন কোনও রকমে একটি সিলেবাস তৈরি করা হয়েছিল শিক্ষার্থীদের জন্য।
সভায় কর্মকর্তাদের নির্দেশ দিয়ে ডা. দীপু মনি বলেন, পরবর্তী শ্রেণির যোগ্য করে তুলতে ন্যুনতম মৌলিক সক্ষমতা অর্জনের (কোর কম্পিটেন্ট) জন্য শিক্ষার্থীদের যা প্রয়োজন, তা সিলেবাসে সন্নিবেশিত করতে হবে।