শনিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৬, ০৯:৪৯ পূর্বাহ্ন

ইউনিয়ন পরিষদ, পৌরসভা নির্বাচনের প্রস্তুতিতে ইসি

রিপোর্টারের নাম
  • প্রকাশিতঃ রবিবার, ২৩ আগস্ট, ২০২০
  • ৪৫ জন নিউজটি পড়েছেন

সারাদেশে স্থানীয় সরকার পর্যায়ে নির্বাচন আয়োজনের প্রস্তুতি নিচ্ছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। আর আগামী নভেম্বর থেকে জাতীয় সংসদের শূণ্য আসনগুলোতে উপ-নির্বাচন করারও পরিকল্পনা নিয়েছে। দেশের চার হাজারেরও বেশি ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) ও আড়াই শতাধিক পৌরসভার উপ-নির্বাচন ও সাধারণ নির্বাচনের প্রস্তুতিতে ইসি। চলতি বছরের ডিসেম্বর ও আগামী বছরের মার্চ থেকে এপ্রিলের মধ্যে এই সব ইউপি নির্বাচন হবে। আর বিভিন্ন কারণে শূণ্য হওয়া আসনের পৌরসভার উপ-নির্বাচনগুলোও চলতি বছরের অক্টোবর থেকে শুরুর পরিকল্পনা নিয়ে আগাচ্ছে। এজন্য মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের কাছে পৌরসভার তথ্য চেয়ে ইসি থেকে চিঠি দেয়া হয়েছে বলে কমিশনের সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

এদিকে, পৌরসভার সর্বশেষ সাধারণ নির্বাচনটি হয়েছিল গত ২০১৫ সালের ডিসেম্বরে। নির্ধারিত সময়ের ৪০ থেকে ৪৫ দিন হাতে রেখে এসব নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করতে হবে ইসিকে। আর এজন্য মাঠ পর্যায় থেকে তালিকা সংগ্রহ করা, নির্বাচন অনুষ্ঠানে প্রতিবন্ধকতা ও সীমানা সংক্রান্ত জটিলতা খতিয়ে দেখার নির্দেশনা পেয়েছেন ইসির মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা।

ইসির বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে, সারাদেশে ইউপি আছে সাড়ে ৪ হাজারের বেশি। এর মধ্যে পাঁচশ’র মতো মেয়াদোত্তীর্ণ হওয়ার কারণে আসন্ন ডিসেম্বরের মধ্যেে সেগুলোতে ভোট হবে। বাকি ৪ হাজারের মতো নির্বাচন আগামী ২০২১ সালের মার্চ থেকে এপ্রিলের মধ্যে কয়েক ধাপে অনুষ্ঠিত হবে।

প্রাপ্ত তথ্য থেকে জানা যায়, গত ২০১৬ সালের মার্চ মাসে ইউপিতে বিভাগওয়ারী নির্বাচন হয়েছিল। এবারও একই প্রক্রিয়ায় করার প্রাথমিক পরিকল্পনার রয়েছে ইসির। করোনার কারণে স্থানীয় সরকারের স্থগিত ১১৫টি নির্বাচন এবং অপসারণ, পদত্যাগ, মৃত্যু ও মেয়াদ শেষ হওয়ার কারণে নির্বাচন উপযোগী ১৮৭টি জেলা, উপজেলা, পৌরসভা ও ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচন আসছে অক্টোবর থেকেই শুরু হবে। করোনার মধ্যে স্বাস্থ্যবিধি মেনে এসব নির্বাচন হবে।

বর্তমানে দেশে ৪ হাজার ৫৭১টি ইউনিয়ন পরিষদ রয়েছে। ২০১৬ সালের ২২ মার্চ শুরু হয়ে কয়েক ধাপে ইউপির নির্বাচন শেষ হয় ওই বছরের ৪ জুন। আইন অনুযায়ী কোনো ইউপির মেয়াদ শেষ হওয়ার পূর্ববর্তী ১৮০ দিনের মধ্যে নির্বাচন সম্পন্ন করতে হবে।

ইসির সিনিয়র সচিব মো. আলমগীর এইসব নির্বাচনের ব্যাপারে জানতে চাইলে বলেন, কমিশন সভার সর্বশেষ সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আগামী অক্টোবর মাস থেকে স্থানীয় সরকারের নির্বাচন শুরু করা হবে। আর নভেম্বর থেকে জাতীয় সংসদের শূন্য আসনগুলোর নির্বাচন শুরু করা হবে। এসব নির্বাচনের জন্য আর সময়ক্ষেপণ করা হবে না। আর চট্টগ্রাম সিটির প্রশাসকের মেয়াদ শেষ হওয়ার পরপরই নির্বাচিত নতুন মেয়র দায়িত্ব নিতে পারেন।

নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন

এই ক্যাটাগরির আর নিউজ
© All rights reserved © vira-l.com 2017-2022
themesba-lates1749691102
Bengali English