শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৬, ০৪:০৭ অপরাহ্ন

ইবি ভিসির অপসারণে ছাত্রলীগ-বঙ্গবন্ধু পরিষদ ব্যানারে শিবির ক্যাডার! প্রগতিশীল সংগঠনগুলোর নিন্দা

রিপোর্টারের নাম
  • প্রকাশিতঃ রবিবার, ২৬ জুলাই, ২০২০
  • ৩৬ জন নিউজটি পড়েছেন

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. রাশিদ আসকারীর অপসারণের দাবিতে ছাত্রলীগ-বঙ্গবন্ধু পরিষদ ব্যানারে শিবির ক্যাডারদের মানববন্ধনের অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনার নিন্দা জানিয়ে রবিবার বিশ্ববিদ্যালয়ের নির্বাচিত বঙ্গবন্ধু পরিষদ, অফির্সাস এসোসিয়েশন ও শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি রবিউল ইসলাম পলাশ ও সেক্রেটারি রাকিবুল ইসলাম স্বাক্ষরিত প্রেস বিজ্ঞপ্তি দেয়। উদ্দেশ্যে প্রণোদিত অভিযোগ এনে মানববন্ধনের বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ফুঁসে উঠেছে সাধারণ শিক্ষার্থীবৃন্দ।

প্রত্যক্ষদর্শী ও বিশ্ববিদ্যালয়ের সূত্রে জানা যায়, বিশ্ববিদ্যালয়ের ১২তম ভাইস-চ্যান্সেলর হিসেবে প্রথম মেয়াদপূর্ণ হতে যাওয়া প্রফেসর ড. রাশিদ আসকারীর বিরুদ্ধে গতকাল শনিবার কুষ্টিয়া শহরের এন এন রোডে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। এতে বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মকর্তা সমিতি ও বঙ্গবন্ধু পরিষদের একাংশ ও বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের ব্যানারে শিবির ক্যাডাদের অংশ নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয়ের নির্বাচিত বঙ্গবন্ধু পরিষদ, অফির্সাস এসোসিয়েশন সভাপতি ও সেক্রেটারি স্বাক্ষরিত প্রেস বিজ্ঞপি দেওয়া হয়। শাখা ছাত্রলীগের ওই প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ্য করা হয়, ছাত্রলীগ বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিবাচক কাজের অংশীদার হতে চাই। ব্যক্তিস্বার্থ চরিতার্থ বা কোনো ব্যক্তিকে হেয় প্রতিপন্ন করার উদ্দেশ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের শাখা ছাত্রলীগের নাম ব্যবহার না করতে অনুরোধ করা যাচ্ছে। ভিসি প্রফেসর ড. রাশিদ আসকারী বঙ্গবন্ধুর আদর্শে আদর্শবান একজন মানুষ। এমন ব্যক্তির বিরুদ্ধে বির্তকিত ব্যক্তিরা ছাত্রলীগের নাম ব্যবহার করে শিবিরের হাতে ব্যানার তুলে দেওয়ায় ছাত্রলীগের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয়েছে বলে আমরা মনে করি। পরবর্তীতে এমন কাজ থেকে বিরত থাকার নির্দেশ দেওয়া হয় ওই বিজ্ঞপ্তিতে। এদিকে প্রগতিশীল বিভিন্ন সংগঠন মানববন্ধনে বিভিন্ন আপত্তিকর বিষয় তুলে ধরেন।

বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি রবিউল ইসলাম পলাশ বলেন, মানববন্ধনে শাখা ছাত্রলীগের ব্যানারে শিবিরের অংশগ্রহণ অত্যন্ত দুঃখজনক। মানববন্ধনে শাখা ছাত্রলীগ নাম ব্যবহার আমরা সভাপতি-সেক্রেটারী কেউই জানি না। এটা সংগঠনের সাথে সাংঘর্ষিক। এমন কাজ না করতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।’

বঙ্গবন্ধু পরিষদের সভাপতি প্রফেসর ড. রুহুল কে এম সালেহ বলেন, সবারই মানববন্ধন করার অধিকার আছে তবে সেগুলো গঠনমূলক হোক। প্রশাসনের শেষের এমন সময়ে আসলে বিরোধিতার জন্য শুধু বিরোধিতা করা। আমার শিক্ষকতার জীবনে এমন সুন্দর সুশৃঙ্খল পরিবেশ কখনো দেখিনি। এটা মাইলফলক হিসেবে থাকবে। আমরা মনে করছি দ্বিতীয় মেয়াদেও এমন প্রশাসন দরকার।

শিক্ষক সমিতির সভাপতি প্রফেসর ড. কাজী আখতার হোসেন বলেন, কিছু বিষয় অপ্রীতিকর। যেটা কালো কালোই। আর যেটা সাদা সাদাই। এই স্বচ্ছ প্রশাসনকে বিতর্কিত করা অত সোজাও নয়। তবে শতভাগ কোন বিষয়েই ভালো কিছু করা সম্ভব নয়।

নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন

এই ক্যাটাগরির আর নিউজ
© All rights reserved © vira-l.com 2017-2022
themesba-lates1749691102
Bengali English