বরিশালের উজিরপুরে শোলক ৮নং ওয়ার্ডের দামোদারকাঠী আনোয়ারীয়া দাখিল
মাদ্রাসার ভোটকেন্দ্র স্থানান্তর নিয়ে উভয় পক্ষের মধ্যে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। উভয় পক্ষের পাল্টা—পাল্টি
অভিযোগ দায়ের। জানা যায় এক পক্ষ ওই ভোট কেন্দ্রটি বহাল রাখার দাবীতে ২৮ ফেব্রুয়ারী রবিবার আবুল
সরদারসহ আটক, দামোদারকাঠী, আদাবাড়ী গ্রামের ৬৫০ জন ভোটারের স্বাক্ষরিত আবেদন বরিশাল জেলা
নির্বাচন অফিসার ও উজিরপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার এবং উপজেলা নিবার্চন অফিসারের বরাবর
আবেদন করেছে। এছাড়াও ১মার্চ সোমবার বোহরকাঠী গ্রামের রুবেল মোল্লাসহ কয়েক শত ভোটারদের
স্বাক্ষরিত আবেদন পত্র বিভিন্ন দপ্তরে জমা দিয়েছেন। অপর দিকে আরেক গ্রুপ দামোদারকাঠী মাদ্রাসার
ভোটকেন্দ্রটি আটক প্রাথমিক বিদ্যালয়ে স্থানান্তর করার জন্য একটি আবেদন করেন। এরই প্রেক্ষিতে
এলাকায় থম থমে অবস্থা বিরাজ করায় রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের আশঙ্কা করছে ভোটাররা। তবে দামোদারকাঠী
আনোয়ারীয়া দাখিল মাদ্রাসায় ভোটকেন্দ্র বহাল রাখার দাবীতে অধিকাংশ ভোটারদের দাবী । ১৯৯৭ সাল থেকে
শুরু করে ৮ নং ওয়াডের্র বোহরকাঠী, আদাবাড়ী,আটক তিনটি গ্রাম নিয়ে ওই ভোট কেন্দ্রে সুষ্ঠু ও
শান্তিপূর্ন ভাবে ভোট অনুষ্ঠিত হয়ে আসছে। এমনকী বর্তমানে ভোট কেন্দ্রটি তিন গ্রামের মাঝ বরাবর
রয়েছে। ভোটারদের ভোট প্রদানে কোন ব্যাঘাত সৃষ্টি হচ্ছেনা। প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের যাতায়াতের জন্য
উপযোগী ও নিরাপদ হওযায় ভোট কেন্দ্রে কখনো বিশৃক্সঙ্খলা সৃষ্টি হয়নি। ওই কেন্দ্রটি অনত্র সড়িয়ে নিলে
বিশৃংখলার পরিবেশ হবে বলে জানান একাধিক ভোটাররা। আবেনকারীরা জানান একটি কু—চক্রিমহল ভোট
কেন্দ্রটি অনত্র সরিয়ে নির্বাচনে তাদের অসৎ উদ্দেশ্য হাসিল করার পায়তারা চালাচ্ছে। এদিকে ভোট কেন্দ্র
বহাল রাখার দাবীতে দামোদারকাঠী, আটক, আদাবাড়ী এই তিন গ্রামের অধিকাংশ ভোটাররা জোট হয়ে
প্রশাসনের উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সু—দৃষ্টি কামনা করেছেন। এদিকে ভোট কেন্দ্র বহাল রাখতে জোট বেধেছে
ভোটাররা। এমনকী ভোট কেন্দ্রটি অন্যস্থানে স্থানান্তর করা হলে কঠোর আন্দোলন কর্মসুচি দেয়া হবে বলে
হুশিয়ারী দেয় ভোটাররা।