গতবছর অনুষ্ঠিত হয় শেখ কামাল আন্তর্জাতিক ক্লাব কাপ ফুটবল। ১৯-৩০ অক্টোবর চট্টগ্রামে অনুষ্ঠিত এই আসরে চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল মালয়েশিয়ার তেরাঙ্গানা এফসি। ফাইনালে তাদের কাছে ১-২ গোলে হার চট্টগ্রাম আবাহনীর। তবে শিরোপা জিতে দেশে ফিরেও এখনও চ্যাম্পিয়ন প্রাইজমানি পায়নি তেরাঙ্গানা। এই প্রাইজমানি ৫০ হাজার ডলারের জন্য ক্লাবটি চাপ দিচ্ছে তাদের দেশের ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনকে। তারা এই অর্থ দিয়ে ফুটবলারদের বকেয়া পরিশোধ করবে। আর মালয়েশিয়ান ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন বারবার তাগাদা দিচ্ছে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনকে। কারণ তারাতো আসরের আয়োজন চট্টগ্রাম আবাহনীকে চেনে না। তারা চেনে বাফুফেকে। সর্বশেষ তারা ১৫ জুলাই বাফুফেকে এই টাকা চেয়ে চিঠি দেয়। অবশ্য বাফুফে তাদের জানিয়েছে ঈদের আগেই প্রাইজমানি পেয়ে যাবে তেরাঙ্গানা।
বাফুফে সেক্রেটারী আবু নাইম সোহাগ জানান, টাকা পাঠাতে বাংলাদেশ ব্যাংকের অনুমতি লাগে। যাকে বলে রেমিটেন্স অ্যাপ্রুভাল। বাংলাদেশ ব্যাংকের সাথে আমাদের আজও (গতকাল) যোগাযোগ হয়েছে। আশা করি ঈদের আগেই এই টাকা পাঠানো সম্ভব হবে তেরাঙ্গানা ক্লাবের কাছে। যোগ করেন এই টাকা পাঠাতে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ. যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রনালয়, অর্থ মন্ত্রনালয় এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের অনুমতি লাগে। জুন মাস থেকে তাদের এই প্রক্রিয়া শুরু চট্টগ্রাম আবাহনীর কাছ থেকে সবুজ সংকেত পাওয়ার পর।
টুর্নামেন্ট আয়োজন করে প্রাইজমানি দেরীতে দেয়াটা বাংলাদেশের ফুটবলের জন্য নতুন কিছু নয়। ২০১৬ সালের বঙ্গবন্ধু গোল্ডকাপের চ্যাম্পিয়ন নেপাল জাতীয় দলকে অনেক পরে এই অর্থ দিয়েছিল বাফুফে। এই জানুয়ারীতে শেষ হওয়া বঙ্গবন্ধু গোল্ডকাপের রানার্সআপ বুরুন্ডিকে তাদের প্রাইজমানি ২০ হাজার ডলার পরিশোধ করা হয় কিছু দিন আগে। তা সেটা তাদের ফিফার কাছে নালিশ করার হুমকির পর। এখনও চ্যাম্পিয়ন ফিলিস্তিন তাদের অর্থ পুরস্কার পায়নি। এই অর্থ ৩০ হাজার ডলার। বাফুফে অবশ্য করোনার কারনে স্পন্সরের কাছ থেকে টাকা সময়মতো না পাওয়া বিলম্ব করতে বাধ্য হয়।