বলিউডের তারকা দম্পতি অভিষেক বচ্চন ও ঐশ্বরিয়া রাই বচ্চন। এ জুটিকে সবশেষ ২০১০ সালে জনপ্রিয় পরিচালক মণিরত্নমের ‘রাবণ’ ছবিতে একসঙ্গে দেখা যায়।
স্ত্রী ঐশ্বরিয়ার পারিশ্রমিক প্রসঙ্গে অভিষেকের পুরনো এক সাক্ষাৎকার নতুন করে আলোচনায় এসেছে। বলিউডে নারী-পুরুষের পারিশ্রমিক-বৈষম্য নিয়ে কম আলোচনা-সমালোচনা হয় না।
২০১৮ সালে চলচ্চিত্র নির্মাতা সুজিত সিরকারের সঙ্গে আলাপচারিতায় অভিনেতা অভিষেক জানান, বেশ কয়েকটি ছবিতে তার থেকে বেশি পারিশ্রমিক পান তার স্ত্রী অভিনেত্রী ঐশ্বরিয়া।
অভিষেকের ভাষ্য, ‘চলচ্চিত্র ব্যবসায় লিঙ্গ বৈষম্য নিয়ে প্রচুর কথা হয় এবং অন্য অঙ্গনেও হয়। স্ত্রীর সঙ্গে নয়টি সিনেমা করেছি। এর আটটিতেই সে আমার চেয়ে বেশি অর্থ পেয়েছে। পিকু সিনেমায় সর্বোচ্চ পারিশ্রমিক পেয়েছে দীপিকা পাড়ুকোন।’ অীভষেক বলেন, ‘এটা ব্যবসা এবং আপনি যদি বিক্রয়যোগ্য অভিনেতা হন, তবে অবশ্যই ভালো পারিশ্রমিক পাবেন। আপনি যদি নবাগত অভিনেত্রী হন এবং শাহরুখ খানের মতো পারিশ্রমিক চান, তাহলে তো হবে না।’
‘কুছ না কাহো’, ‘গুরু’, ‘রাবণ’, ‘ধুম টু’, ‘ধাই অক্ষর প্রেম কে’, ‘সরকার রাজ’, ‘উমরাও জান’ ও ‘বান্টি অউর বাবলি’ সিনেমায় একসঙ্গে কাজ করেছেন অভিষেক ও ঐশ্বরিয়া। ১৯৯৭ সালে তামিল সিনেমা ‘ইরুভার’ দিয়ে সিনে-অঙ্গনে অভিষেক হয় ঐশ্বরিয়ার। আর এর তিন বছর পর ২০০০ সালে জে পি দত্তের ‘রিফুজি’ দিয়ে ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রিতে প্রবেশ করেন অভিষেক।
২০০৬ সালে মুক্তি পাওয়া ‘উমরাও জান’ ছবিতে জুটি বেঁধে অভিনয় করতে গিয়ে প্রণয়ের সম্পর্ক গড়ে ওঠে অভিষেক ও ঐশ্বরিয়ার মধ্যে। পরের বছরের শুরুর দিকে তাকে বিয়ে করার প্রস্তাব দেন অভিষেক। প্রস্তাবে সানন্দেই ইতিবাচক সাড়া দেন ঐশ্বরিয়া। ২০০৭ সালের ২০ এপ্রিল অভিষেক-ঐশ্বরিয়ার বিয়ে হয়। চার বছর পর তাদের কোলে আসে আরাধ্য বচ্চন। সূত্র: হিন্দুস্তান টাইমস