শনিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৬, ১১:৪৪ পূর্বাহ্ন

ক্রিকেটের মতো অবকাঠামো প্রয়োজন ফুটবলে

রিপোর্টারের নাম
  • প্রকাশিতঃ শনিবার, ২৫ জুলাই, ২০২০
  • ৫২ জন নিউজটি পড়েছেন

২০১৮ সালের মে মাসে বাংলাদেশ ফুটবল দলের দায়িত্ব নেন জেমি ডে। প্রত্যাশানুযায়ী না হলেও তার অধীনে গত দুই বছরে কিছুটা উন্নতি হয়েছে জাতীয় দলের। নতুন করে ব্রিটিশ এ কোচের সঙ্গে আরও দুই বছরের জন্য চুক্তি করেছে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন। দুই বছরের বেশি সময় ধরে বাংলাদেশের ফুটবলের সঙ্গে যুক্ত থাকা এদেশের ক্রীড়াঙ্গন সম্পর্কেও মোটামুটি ধারণা আছে তার। বিশেষ করে ক্রিকেটের জনপ্রিয়তা ভালো করেই জানা ৪০ বছর বয়সী এ কোচের।

মাশরাফি-তামিমদের খেলার দিন সারাদেশের ক্রীড়াপ্রেমী যেভাবে চোখ রাখে জামাল ভূঁইয়াদের ম্যাচে সেই রকম দৃশ্য দেখা যায় না। এমনটা হওয়ার পেছনে জেমি ডে তুলে আনলেন অবকাঠামোগত উন্নতিকে। কেন বাংলাদেশে ফুটবলের চেয়ে ক্রিকেট জনপ্রিয় সম্প্রতি ফিফা ডটকমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে জেমি ডে সেই কারণগুলো বলেছেন, ‘আমি মনে করি, বাংলাদেশে ফুটবল অনেক জনপ্রিয়। কিন্তু ক্রিকেটের এগিয়ে যাওয়ার পেছনে মূল কারণ হলো অবকাঠামোগত উন্নয়ন, তহবিল ও স্পন্সরশিপ। ফুটবলের জনপ্রিয়তা বাড়াতে হলে এখানে অবকাঠামোগত উন্নয়ন প্রয়োজন। তৃণমূল থেকে ফুটবলারদের উঠিয়ে এনে পেশাদার লিগে খেলার সুযোগ করে দিতে হবে। এটা বদলে দিতে পারে বাংলাদেশের ফুটবলকে। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, ভবিষ্যতে উদীয়মান ইয়ং ফুটবলারদের তৈরি করতে হবে।’

২০২২ কাতার বিশ্বকাপ ও এশিয়ান কাপ বাছাই পর্বে গ্রুপ ‘ই’-তে খেলা বাংলাদেশ ইতোমধ্যে চারটি ম্যাচ থেকে মাত্র এক পয়েন্ট অর্জন করেছে। ৮ অক্টোবর সিলেটে আফগানিস্তানের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে পুনরায় শুরু হবে জামাল ভূঁইয়াদের বিশ্বকাপ বাছাই। বাকি চার ম্যাচের মধ্যে আফগানিস্তান, ভারত ও ওমানের বিপক্ষে ঘরের মাঠে খেলবে লাল-সবুজের দলটি। বাকি ম্যাচটি কাতারে গিয়ে খেলবে।
এই চার ম্যাচ থেকে আরও পয়েন্ট পাওয়ার ব্যাপারে আশাবাদী জেমি, ‘আমরা জানি এই গ্রুপে আমরা আন্ডারডগ। কারণ র‌্যাংকিংয়ে সবাই আমাদের চেয়ে এগিয়ে। চারটি ম্যাচে আমরা ভালো খেলেছিলাম এবং আরও বেশি পয়েন্ট পেতে পারতাম। ওমানের বিপক্ষে বড় ব্যবধানে পরাজয়টি দ্বিতীয়ার্ধে বাজে খেলার কারণে। ঘরের মাঠের ম্যাচগুলোর দিকে তাকিয়ে আমরা। আমি খুবই আশাবাদী যে, ম্যাচগুলো থেকে পয়েন্ট পাব এবং আমি এখনও এশিয়ান কাপে খেলার স্বপ্ন দেখছি। তবে আমি হতাশ যে, হয়তো দর্শক ছাড়াই (করোনাভাইরাসের কারণে) ম্যাচগুলো খেলতে হবে আমাদের। অতীতেও দর্শকরা মাঠে এসে আমাদের প্রচুর সমর্থন জুগিয়েছিলেন।’

২০১৮ সালে বাংলাদেশে আসা জেমির অধীনে সেরা সাফল্য বলতে ইন্দোনেশিয়ায় অনুষ্ঠিত এশিয়ান গেমসে কাতারকে হারানো। সেই দলটি ছিল অনূর্ধ্ব-২৩। নিজের এই সময়ে বাংলাদেশের ফুটবল সম্পর্কে জেমি বলেন, ‘যখন আমি ২০১৮ সালে কোচ হিসেবে আসি, তখন দেখেছিলাম জাতীয় দলের অবস্থা খুবই খারাপ। তবে আমি মনে করি গত দুই বছরে আমরা অনেক দূর এগিয়েছি। আশা করি, আগামী দুই বছরের মধ্যে বড় কোনো ট্রফি জিততে পারব।’

নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন

এই ক্যাটাগরির আর নিউজ
© All rights reserved © vira-l.com 2017-2022
themesba-lates1749691102
Bengali English