সোমবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২৬, ১১:১১ অপরাহ্ন

গাজীপুরে কিশোরী গণধর্ষণের অভিযোগে দুই যুবক গ্রেফতার

রিপোর্টারের নাম
  • প্রকাশিতঃ বৃহস্পতিবার, ৮ অক্টোবর, ২০২০
  • ৩৭ জন নিউজটি পড়েছেন

গাজীপুর মহানগরের কাশিমপুর এলাকায় এক কিশোরী গণধর্ষণের শিকার হয়েছে। গণধর্ষণের চাঞ্চল্যকর এ ঘটনায় জড়িত দুই যুবককে বৃহস্পতিবার নওগাঁ থেকে গ্রেফতার করেছে গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ।
গ্রেফতারকৃতরা হলেন, নওগাঁ জেলা সদর থানার রজাকপুর এলাকার নজরুল ইসলাম লিটনের ছেলে সম্রাট হোসেন শান্ত (২০), একই থানার ভবানীপুর এলাকার আলীম হোসেন আলেকের ছেলে শাকিল আহম্মেদ (২২)। আসামিরা গাজীপুর সিটি করপোরেশনের বেক্সিমকো গ্রুপের স্থানীয় সিরামিক কারখানায় চাকরি করতেন।

ধর্ষণের শিকার কিশোরীর বাবা জানান, তিনি তার স্ত্রী ও কিশোরী মেয়েকে নিয়ে ভাড়া থাকেন। তিনি একজন ঝালমুড়ি ও আচার বিক্রেতা। বুধবার দুপুর দেড়টার দিকে বৃষ্টির সময় তার মেয়ে প্রতিবেশী এক শিশুর খোঁজে বাসা থেকে বের হয়। এসময় শাকিল ও শান্ত কৌশলে কিশোরীকে ডেকে পাশের ব্র্যাক স্কুলে নিয়ে যায়। সেখানে যুবকরা হাত-পা চেপে ধরে তাকে পালাক্রমে ধর্ষণ করে। এসময় কিশোরীর চিৎকারে স্থানীয়রা এগিয়ে এলে যুবকরা ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়।

পরিচয় প্রকাশে অনিচ্ছুক বেক্সিমকো গ্রুপের স্থানীয় সিরামিক কারখানার এক কর্মকর্তা জানান, শান্ত ও শাকিল আমাদের সিরামিক কারখানায় চাকরি করতো। কর্মস্থলে দীর্ঘ দিন অনুপস্থিতি থাকাসহ নানা অনিয়মের কারণে সম্প্রতি তাদেরকে চাকুরিচ্যুত করেছে কারখানা কর্তৃপক্ষ।

কাশিমপুর থানার ইন্সপেক্টর (তদন্ত) রফিকুল ইসলাম জানান, ধর্ষণের এ ঘটনায় ভিক্টিমের মা বৃহস্পতিবার শান্ত ও শাকিলকে আসামি করে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করেছেন। ঘটনার সাথে জড়িতদের খোঁজে গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ রাতভর গাজীপুরের বিভিন্নস্থানে অভিযান চালিয়ে সন্ধান পায়নি। অবশেষ গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পুলিশ বৃহস্পতিবার দুপুরে নওগাঁ এলাকা হতে আসামি দু’জনকে গ্রেফতার করে। তাদেরকে থানায় এনে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে বলে জানায় পুলিশ। এদিকে ডাক্তারী পরীক্ষার জন্য কিশোরীকে শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে।

শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের ফরেনসিক মেডিসিন বিভাগের চিকিৎসক মাজহারুল হক জানান, কিশোরীকে পরীক্ষা করে নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। সংগৃহীত নমুনা ল্যাবে পরীক্ষা শেষে ধর্ষণের ঘটনা সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে। তবে প্রাথমিকভাবে তাকে ধর্ষণের আলামত পাওয়া গেছে।

জিএমপি’র কাশিমপুর থানার ওসি মাহবুবে খুদা ধর্ষণের মামলার কথা স্বীকার করে জানান, ঘটনার পরপরই অভিযুক্তরা গাজীপুর থেকে তাদের গ্রামের বাড়ি নওগাঁয় পালিয়ে গিয়েছিলেন। সেখান থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয়েছে।

নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন

এই ক্যাটাগরির আর নিউজ
© All rights reserved © vira-l.com 2017-2022
themesba-lates1749691102
Bengali English