রবিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৬, ০৬:০২ অপরাহ্ন

চীনের সেনাবাহিনীর আদলে তিব্বতে বৃত্তিমূলক প্রশিক্ষণ

রিপোর্টারের নাম
  • প্রকাশিতঃ বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর, ২০২০
  • ৬২ জন নিউজটি পড়েছেন

গ্রামীণ শ্রমজীবীদের ব্যবস্থাপনামূলক নীতি, কেন্দ্রীয়করণ, বৃহৎ আকারে প্রশিক্ষণ এবং অন্য অঞ্চলে স্থানান্তর করার ক্ষেত্রে চীনের নীতি মানা হচ্ছে তিব্বত স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চলে (টিএআর)। ২০১৯ সাল থেকে এটি চলছে।

২০২০ সালের প্রথম সাত মাসে ওই এলাকার পাঁচ লাখের বেশি শ্রমজীবীকে চীনের মতো করে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। তরুণ থেকে শুরু করে বয়স্কদেরও প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে।

শ্রম পরিবর্তন বিষয়ক চীনের নীতির অধীনে কৃষকদেরও সেনাবাহিনীর স্টাইলে নিয়ন্ত্রণ করা হয় এবং সেভাবেই প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। আগের চিন্তা থেকে সরে এসে নিয়ম মেনে কাজ করার ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে সেখানে। এমনকি চীনের আইন ও ভাষার ওপরও জোর দেওয়া হচ্ছে।

তিব্বত স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চলের চামদো অঞ্চলে যাদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে, তাতে দেখা গেছে- চীনের সশস্ত্র বাহিনীর সার্জেন্টরা প্রশিক্ষণ তদারকি করেছে এবং চীনের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমে প্রকাশিত প্রশিক্ষণ বিষয়ক ছবিতে দেখা যায় যে তিব্বতে প্রশিক্ষণার্থীরা সামরিক পোশাক পরে আছেন।

চীনের সরকারি বিভিন্ন নথিতে বলা হয়েছে যে বৃত্তিমূলক প্রশিক্ষণ প্রক্রিয়াটি ‘কঠোরভাবে সামরিক-নীতি মেনে পরিচালনা’ করা হয়েছে। তিব্বতিদের দুর্বল কাজের প্রক্রিয়াকে শক্তিশালী করা হচ্ছে এবং তাদের পিছিয়ে পড়া চিন্তাকে সংস্কার করা হচ্ছে।

নথিগুলোতে আরো বলা হয়, তিব্বতিরা এসব কার্যক্রমে অংশ নিতে অনিচ্ছুক হওয়ার বদলে যেন ইচ্ছুক হয়, সেই কাজ করতে হবে। এ জন্য ধর্মের নেতিবাচক প্রভাবকে হ্রাস করা দরকার বলেও উল্লেখ করা হয়।

এ জন্য গ্রামভিত্তিক কর্মকাণ্ড, বিভিন্ন শোভাযাত্রা এবং সামাজিকভাবে নিয়ন্ত্রণের জন্য কাজ করা দরকার। জিনজিয়াংয়ে উইঘুরদের চিহ্নিত করে যেভাবে বন্দিশিবিরে নেওয়া হয়েছিল, সেই কৌশল ব্যবহারের কথাও বলা হচ্ছে। যেসব কর্মকর্তা লক্ষ্য পূরণে ব্যর্থ হবেন, তাঁদের ক্ষেত্রেও শাস্তির কথা বলা হয়েছে।

এসব প্রকল্পের লক্ষ্য হলো- গ্রামীণ জনগণের কাজের বিনিময়ে আয় বৃদ্ধির মাধ্যমে চূড়ান্ত দারিদ্র্য বিমোচন করার জন্য শি জিনপিংয়ের স্বপ্ন বাস্তবায়ন করা। আর এ জন্য তিব্বতের যাযাবর এবং কৃষকদের জীবন-জীবিকা বাধ্যতামূলকভাবে বদলাতে হচ্ছে। যেন তাঁরা একটি পরিমাপযোগ্য নগদ আয় অর্জন করতে পারেন এবং তাঁদের ‘দারিদ্র্যমুক্ত’ হিসেবে ঘোষণা করা যেতে পারে। জিনজিয়াংয়ের সঙ্গে তিব্বতে গৃহীত পদক্ষেপগুলোর বহু মিল পাওয়া যায়।

নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন

এই ক্যাটাগরির আর নিউজ
© All rights reserved © vira-l.com 2017-2022
themesba-lates1749691102
Bengali English