সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, শ্রমিকদের মালয়েশিয়ায় ফেরা না ফেরা নির্ভর করছে স্ব স্ব মালিক বা নিয়োগকর্তার সহযোগিতার ওপর। আবেদন করে মালিকের মাধ্যমে ইমিগ্রেশন বিভাগের অনুমতি নিলেই দেশটিতে প্রবেশ করা সম্ভব। কোনো দালাল বা এজেন্টের মাধ্যমে কন্ট্রাক করে প্রতারিত না হওয়ার জন্য দূতাবাস থেকে সতর্ক করা হয়েছে। কারণ দালাল বা এজেন্ট এ সংক্রান্ত কোনো ক্ষমতা রাখে না।
হাইকমিশনার গোলাম সারোয়ার জানান, আবেদন প্রক্রিয়ার প্রথমেই মালিকের সাথে যোগাযোগ করে পাসপোর্ট ও ভিসার কপি মাই ট্রাভেল পাস নামক ওয়েবসাইটে সাবমিট করতে হবে। এরপর আবেদন গৃহীত হলে করোনা টেস্ট রিপোর্ট, বিমান টিকেট, কোয়ারেন্টিনে থাকার খরচের ব্যবস্থা করতে হবে।
ছুটিতে থাকা প্রবাসীদের ফেরার ব্যাপারে মালয়েশিয়ায় নিযুক্ত বাংলাদেশ দূতাবাসের হাইকমিশনার গোলাম সারোয়ার বলেন, দেশে ছুটিতে গিয়ে যে সকল প্রবাসী আটকে আছেন তাদেরকে মাই ট্রাভেল পাস অ্যাপসের মাধ্যমে আবেদনের ভিত্তিতে পর্যায়ক্রমে ফিরিয়ে আনার প্রক্রিয়া ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে। তবে এটি নির্ভর করছে সম্পূর্ণ নিয়োগকর্তার ওপর। এ জন্য সবাইকে যার যার নিয়োগকর্তার সাথে যোগাযোগ করার পরামর্শ দেন তিনি।