শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৬, ০৩:৫০ অপরাহ্ন

জবি শিক্ষার্থীর নিঃশর্ত মুক্তির দাবিতে জাতীয় প্রেসক্লাবে মানববন্ধন

রিপোর্টারের নাম
  • প্রকাশিতঃ রবিবার, ১৯ জুলাই, ২০২০
  • ৪১ জন নিউজটি পড়েছেন

হত্যা মামলায় কারাগারে থাকা জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষের হিসাববিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী মনির হোসেনের নিঃশর্ত মুক্তি দাবি জানিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ শিক্ষার্থীরা। রবিবার সকাল সাড়ে ১০টায় জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে এক মানববন্ধন কর্মসূচির মাধ্যমে এই দাবি জানান তারা।

জানা যায়, গত ২৭ জুন শরীয়তপুরের জাজিরা উপজেলার ভোলাই মুন্সিকান্দি গ্রামে জমি নিয়ে বিবাদের জের ধরে দুই গ্রুপের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে রিয়াজ মাদবর (১৭) নামে এক কিশোর গুরুত্ব আহত হয়। পরে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রিয়াজ মারা যায়। পরে হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ৪১ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত ৪০/৫০ জনের নামে লিটন মাদবর বাদী হয়ে মামলা দায়ের করে। পরে ৩০ জুন দুপুরে মনিরকে জিজ্ঞাসাবাদের নামে থানায় নিয়ে যায় পুলিশ। পরে এই মামলার এজাহারে নাম না থাকা সত্ত্বেও মনিরকে অজ্ঞাত আসামি হিসেবে গ্রেফতার দেখায় পুলিশ। এরপর তাকে কারাগারে পাঠানো হয়।

মানববন্ধনে শিক্ষার্থীরা বলেন, ‘মনির আমাদের জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের হিসাববিজ্ঞান বিভাগের একজন ছাত্র। এই লকডাউনের জন্য সে গ্রামের বাড়িতে ছিল। তার সাথে বাদী বা বিবাদী পক্ষের কারো সাথে কোনো সংযোগ ছিল না। সে তৃতীয় পক্ষের লোক এবং ঘটনার দিন সে ঘরেই অবস্থান করছিল। কিন্তু প্রহসনমূলকভাবে এই হত্যার ঘটনায় তাকে অজ্ঞাতনামা আসামি হিসেবে আটক করা হয়। এখন তাকে কারাগারে আটকে রাখা হয়েছে। আমরা অনতিবিলম্বে মনিরের মুক্তি চাই। এ বিষয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।’

মনিরের ভাই সিরাজুল ইসলাম বলেন, আমাদের গ্রামে জমিজমা ও স্থানীয় নেতৃত্ব নিয়ে প্রায় সময় মারামারি লাগত। গত ২৬ জুন এসব ঘটনার জেরে দুপক্ষের সংঘর্ষ হয়। এ ঘটনায় রিয়াজ আলী মাতবর (১৭) নামে একজন নিহত হয়। একজন নিহত হওয়ার পর নিহত পক্ষের লোকজন হত্যাকারী পক্ষের লোকজনদের বাড়িঘর ভাঙচুর ও লুটপাট করে। এ ঘটনায় কোন পক্ষে আমাদের পরিবার যুক্ত ছিলাম না। আমার ভাই ওই সময় বাড়িতে অবস্থান করছিল। কিন্তু এসব ঘটনায় একটি পক্ষ বাণিজ্যের আশ্রয় নেয়। স্থানীয় নিহত পক্ষের একজন মাতবর মামলায় নাম দেয়ার ভয় দেখিয়ে অনেকের কাছে টাকা পয়সা নেয়। ওই মাতবর আমার বাবার কাছে তিন লাখ টাকা দাবি করে। না হলে আমাদের পরিবারের কাউকে মামলায় নাম দিবে বলে হুমকি দেয়। পরে ৩০ জুন আমার ভাইকে পুলিশ আটক করে। এ সময় তাকে থানা থেকে ছাড়া হবে বলে আবার টাকা দাবি করে। আমার বাবা এ সময় দুই লাখ টাকা দেয়ার জন্য রাজি হয়। তখন স্থানীয় ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ইসমাইল মোল্লার সাক্ষীতে ১ লাখ টাকাও দেয়া হয়। কিন্তু ১ জুলাই আমার ভাইকে কোর্টে চালান করে দেয়া হয়। আমার নির্দোষ ভাইয়ের মুক্তি চাই। দোষীদের শাস্তি চাই।

নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন

এই ক্যাটাগরির আর নিউজ
© All rights reserved © vira-l.com 2017-2022
themesba-lates1749691102
Bengali English