জিম্বাবুয়েতে পৌঁছে ১দিন বিশ্রাম শেষে অনুশীলনে নেমে পড়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট দল। আজ (বৃহস্পতিবার) স্থানীয় সময় বিকেলে হারারেতে অনুশীলন করেন টাইগাররা।
এদিকে, অপেক্ষাকৃত দুর্বল দল হলেও, জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে আসন্ন সিরিজটা বেশ চ্যালেঞ্জিং হবে বলে মনে করেন জাতীয় দলের সাবেক অধিনায়ক ও নির্বাচক আব্দুর রাজ্জাক। দেশের মতো এখানেও জিম্বাবুইয়ানদেরকে হালকভাবে নিলে ভুগতে হবে বলে সতর্কবার্তা দিয়েছেন তিনি।
তিনি বলেন, জিম্বাবুয়েতে এসে মনে হলো সিরিজটা অনেক চ্যালেঞ্জিং হবে। কারণ কন্ডিশনটার সঙ্গে আমরা একেবারেই পরিচিত নই। কিন্তু ওরা এখানে খেলে অভ্যস্ত। সুতরাং আমাদের দেশে গেলে আমরা ওদেরকে যেভাবে নিই, এখানে সেভাবে নেয়া যাবে না। তারপরও আগের চেয়ে আমরা এখন বেটার টিম। সুতরাং আশা করি খেলতে সমস্যা হবে না। ওরা হয়তো দ্রুত যে কোন পরিস্থিতি সামলে নিতে পারবে। আমাদেরকে একটু সাবধানী হয়ে খেলতে হবে।
জিম্বাবুয়ের উইকেটে কিভাবে ভালো করা যায় তাইজুল-মিরাজদেরকে সেই টোটকাও দিয়েছেন জাতীয় দলের সাবেক এই স্পিনার।
রাজ্জাক বলেন, এখানকার উইকেট সবসময়ই পেসবান্ধব। আমাদের দেশে কিংবা উপমহাদেশে স্পিনাররা যে সুবিধা পায় এখানে সে সুবিধা পাওয়া যাবে না। তবে স্পিনারদেরকে সবসময় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে হয়। সেটি হতে পারে রান আটকে রেখে, হতে পারে ব্রেক থ্রু এনে দিয়ে, যখন পেসাররা উইকেট না পায়। আসলে সব কন্ডিশনেই আপনাকে মানিয়ে নিতে হবে। যে যত দ্রুত কন্ডিশনের সঙ্গে মানিয়ে নিতে পারে সে তত ভালো খেলোয়াড়। এখানে স্পিনাররা যে একেবারেই ভালো করতে পারবে না এমন নয়।
তিনি আরো বলেন, হেরাথ (স্পিন কোচ) দলের সঙ্গে যোগ দিয়েছে। সে অভিজ্ঞ একজন ক্রিকেটার ছিলো। সে যোগ দেয়ায় স্পিনাররা উপকৃত হবে। তারপরও যদি আমার কোন পরামর্শ দেয়ার থাকে আমি অবশ্যই দিবো।
বিসিবির নির্বাচক প্যানেলের সবশেষ সদস্য আব্দুর রাজ্জাক। দুই নির্বাচক মিনহাজুল আবেদিন নান্নু ও হাবিবুশ বাশার সুমনের সঙ্গে যোগ দিয়েছেন তিনিও। নির্বাচক হিসেবে এটিই দলের সঙ্গে তার প্রথম সফর।
এ বিষয়ে রাজ্জাক বলেন, আমার প্রথম সফর নির্বাচক হিসেবে। আগে যতবারই এসেছি ক্রিকেটার হিসেবে এসেছি। তখন হয়তো প্র্যাকটিস করে চলে যেতাম। কিন্তু এখন প্র্যাকটিস দেখাটাই আমার কাজ। নতুন অভিজ্ঞতা, ভালোই লাগছে।
৭ জুলাই থেকে শুরু হবে বাংলাদেশ ও জিম্বাবুয়ের মধ্যকার সিরিজের একমাত্র টেস্ট। এরপর ৩টি ওয়ানডে ও ৩টি টি-টোয়েন্টি খেলবে দু’দল।