ছাত্রলীগ সভাপতি আল-নাহিয়ান খান জয় বলেন, ‘স্বাধীনতার মহান স্থপতি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে গভীর শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করছি এবং জাতির পিতার আত্মার মাগফেরাত ও শান্তি কামনা করছি। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ছিলেন বাঙালি জাতির অনুপ্রেরণা। বঙ্গবন্ধুর সুযোগ্য কন্যা আমাদের অভিভাবক দেশরত্ন শেখ হাসিনা জাতির পিতার স্বপ্নের দেশ গড়ার কাজে আত্মনিয়োগ করেছেন এবং দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন সমৃদ্ধির দিকে। বাংলাদেশ ছাত্রলীগের নেতৃবৃন্দ জাতির পিতার আদর্শ ধারণ করে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উজ্জীবিত হয়ে বঙ্গবন্ধুকন্যা দেশরত্ন শেখ হাসিনার নেতৃত্বে জাতির পিতার স্বপ্নের সোনার বাংলা বিনির্মাণে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করে যাবে।’
সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্য বলেন, ‘জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নিজ হাতে গড়া আন্দোলন সংগ্রামের মহাকাব্যিক পথচলার গর্বিত সংগঠন বাংলাদেশ ছাত্রলীগ পরিবার জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতি গভীর শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করছে এবং বাংলাদেশ ছাত্রলীগের নেতৃবৃন্দকে সাথে নিয়ে মুজিববর্ষ ও স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীতে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় জাতির পিতার নির্দেশিত পথে তাঁরই সুযোগ্য কন্যা আমাদের অভিভাবক মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনার নির্দেশনা বাস্তবায়নে বাংলাদেশ ছাত্রলীগের কার্যক্রম নিদর্শন হয়ে থাকবে বলে আমি বিশ্বাস করি।’
এর আগে গত ৩১ জানুয়ারি কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের ৩০১ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কমিটির ৬৮ শূন্যপদ পূর্ণ করা হয়। ইতোমধ্যে ঘোষিত ৩০১ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কমিটিতে যারা পদ প্রত্যাশী ছিলেন কিন্তু তা সত্যেও পদ পাননি তাদের এই পদসমূহে প্রধান্য দেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন ছাত্রলীগের শীর্ষ দুই নেতা।
ছাত্রলীগের ২৯তম জাতীয় সম্মেলনের পর ২০১৮ সালের ৩১ জুলাই সভাপতি পদে রেজওয়ানুল হক চৌধুরী শোভন ও সাধারণ সম্পাদক পদে গোলাম রাব্বনীকে দায়িত্ব দেয়া হয়। দুর্নীতি, চাঁদাবাজি, স্বজনপ্রীতিসহ নানা অভিযোগে পূর্ণাঙ্গ মেয়াদে দায়িত্ব পালনের আগেই ২০১৯ সালের ১৪ সেপ্টেম্বর পদত্যাগ করতে বাধ্য হন এই দুই নেতা।