অর্ধশতকের আগেই থামতে হলো জিম্বাবুয়ে অধিনায়ক ব্রেন্ডন টেলরকে। শরিফুল ইসলামের ওভারে টেলরের ব্যাট গিয়ে স্টাম্পে আঘাত করলে ব্রেকথ্রু পায় বাংলাদেশ। ৪৬ রান করেই ফিরতে হয়ে টেলরকে।
টস জিতে ব্যাটিংয়ে নেমেছে জিম্বাবুয়ে। কিন্তু, তা খুব একটা সুখকর হয়নি। শুরুতেই চাপে পড়ে স্বাগতিকেরা। জিম্বাবুয়ের ব্যাটিংয়ে প্রথম আঘাত হানেন পেসার তাসকিন আহমেদ। দ্বিতীয় আঘাত হানেন মেহেদী হাসান মিরাজ। এরপর শুরুর ধাক্কা সামলে এগোনোর চেষ্টা করেন ব্রেন্ডন টেইলর ও চাকাভা। কিন্তু, তাতে বাধ সাধেন সাকিব আল হাসান। চাকাভাকে ক্লিন বোল্ড করে প্যাভিলিয়নে ফেরান এই অলরাউন্ডার।
এই রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত জিম্বাবুয়ের সংগ্রহ ৪ উইকেটে ১১৬ রান।
ম্যাচটি বাংলাদেশের জন্য এগিয়ে যাওয়ার, আর জিম্বাবুয়ের জন্য সিরিজে ফেরার। এই ম্যাচ জিতলে এক যুগ পর জিম্বাবুয়েতে ওয়ানডে সিরিজ জয়ের স্বাদ পাবে বাংলাদেশ।
২০০৯ সালে জিম্বাবুয়ের মাটিতে শেষ সিরিজ জয় পেয়েছিল বাংলাদেশ। এর পর ২০১১ ও ২০১৩ সালে হেরেছিল।
জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে সিরিজের প্রথম ওয়ানডেতে দারুণ জয় পায় বাংলাদেশ। জিম্বাবুয়েকে ১৫৫ রানের বড় ব্যবধানে হারায় লাল-সবুজের দল। সাকিব আল হাসান বল হাতের নৈপুণ্যে ও লিটন দাসের সেঞ্চুরিতে এই ম্যাচে বড় জয় পায় বাংলাদেশ।
ম্যাচে সাকিব ৯.৫ ওভার বল করে ৩০ রান দিয়ে পাঁচ উইকেট তুলে নেন। আর লিটন ১১৪ বলে ১০২ রান করেন।
প্রথমে ব্যাট করে জিম্বাবুয়েকে ২৭৭ রানের লক্ষ্য দিয়েছিল বাংলাদেশ। এই রান তাড়ায় ১২১ রানে ইনিংস গুটিয়ে নেয় জিম্বাবুয়ে। তাই ১৫৫ রানের বড় জয় ঘরে তোলে লাল-সবুজের দল।