কিশোরগঞ্জের কুলিয়ারচর উপজেলায় তেল কলের আড়ালে চলছিল অবৈধ সিগারেট উৎপাদন। গত ২৭ এপ্রিল সেটি উপজেলা প্রশাসন বন্ধ করলেও আটকে আছে তদন্ত প্রতিবেদন। তবে তদন্ত কমিটির প্রধান অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো. গোলাম মোস্তফা জানিয়েছেন, তদন্ত শেষ, শুধু প্রতিবেদন জমা দেওয়া বাকি।
করোনাকালে এই অবৈধ সিগারেট উৎপাদন ও বাণিজ্য চালিয়ে যাচ্ছিল হেরিটেজ টোব্যাকো। কুলিয়ারচরে এক সময়ের বিখ্যাত বাদাম তেলের কলে চলছিল অবৈধ ওই সিগারেটের কারখানা। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রুবাইয়াৎ ফেরদৌসীর নেতৃত্বে র্যাব সেখানে অভিযান চালিয়ে পাঁচজনকে কারাদণ্ডের পাশাপাশি কলটি বন্ধ করে দেয়।
এ বিষয়ে রুবাইয়াৎ ফেরদৌসী জানান, অবৈধ উৎপাদন চালিয়ে যাওয়ায় হেরিটেজ টোব্যাকোকে জরিমানা করা হয়। কারখানার বৈধতার জন্য অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেন জেলা প্রশাসক মো. সারওয়ার মুর্শেদ চৌধুরী। ওই কমিটির ২৪ জুনের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন দেওয়ার কথা ছিল।
তদন্ত কমিটির প্রধান অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো. গোলাম মোস্তফা জানিয়েছেন, ‘তদন্ত ও প্রতিবেদন তৈরির কাজ ইতোমধ্যেই শেষ হয়েছে। এখন শুধু প্রতিবেদনটি জমা দেওয়া বাকি। এ সপ্তাহের প্রতিবেদন জমা দিতে পারবো আশা করছি।’
ষাটের দশকে কুলিয়ারচরে ছিল এশিয়ার বিখ্যাত বাদাম তেলের কারখানা। ১৯৭৫ সালের পর সেটি বন্ধ হয়ে যায়। নব্বই দশকের দিকে এটি ব্যক্তি মালিকানায় চলে যায়। পরে রফিকুল ইসলাম নামে এক ব্যক্তি এটি ইজারা নেন। এরপর থেকেই তেল কারখানার আড়ালে অবৈধ সিগারেট বাণিজ্য গড়ে ওঠে। সংবাদ বিজ্ঞপ্তি