ফরিদপুর পৌরসভার ৬৭টি কেন্দ্রে আজ বৃহস্পতিবার সকাল আটটা থেকে ভোট গ্রহণ শুরু হয়েছে। বিরতিহীনভাবে বিকেল চারটা পর্যন্ত ভোট গ্রহণ চলবে। ভোট শুরুর আধা ঘণ্টার মধ্যেই বিএনপির পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে, বিভিন্ন কেন্দ্র থেকে তাদের এজেন্টদের বের করে দিয়েছেন ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ ও অঙ্গসংগঠনের নেতা-কর্মীরা।
আড়াই ঘণ্টা বিভিন্ন কেন্দ্রে সরেজমিনে দেখা যায়, অন্তত ৮৩টির মধ্যে ৭টিতে বিএনপির ধানের শীষ প্রতীকধারী কোনো এজেন্ট নেই। এ ব্যাপারে রিটার্নিং কর্মকর্তার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, এজেন্টরা কেউ আসেননি।
বিএনপির এজেন্টদের বিভিন্ন কেন্দ্রে পাওয়া না গেলেও নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানো আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী ও ফরিদপুর পৌরসভার বর্তমান মেয়র শেখ মাহাতাব আলী মেথুর নারকেলগাছ প্রতীকের এজেন্টদের দেখা গেছে।
সকাল নয়টার দিকে ফরিদপুর শহরের কমলাপুর উচ্চবিদ্যালয় কেন্দ্রে কাউন্সিলর প্রার্থী নাসির উদ্দিন আহমেদ মিলারকে প্রতিদ্বন্দ্বী কাউন্সিলর প্রার্থী নজরুল ইসলাম মৃধার সমর্থকেরা ধাওয়া দেন। এতে তিনি সড়কে পড়ে আহত হন।
সকাল সাড়ে নয়টার দিকে শহরের সারদাসুন্দরী উচ্চবিদ্যালয় কেন্দ্রে দুই কাউন্সিলর প্রার্থী গোলাম নাসির ও শাহাবুদ্দিনের সমর্থকদের মধ্যে হাতাহাতি ও কথা-কাটাকাটির ঘটনা ঘটে। পরে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করে।
আদর্শ বালিকা উচ্চবিদ্যালয় কেন্দ্রে গোপন বুথে ভোটারকে একজন এজেন্ট সাহায্য করছেন বলে দেখা গেছে। গোয়ালচামট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে এক পুলিশ সদস্যকে ভোটদানে সহযোগিতা করতে দেখা গেছে। এ ব্যাপারে পোলিং কর্মকর্তার দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে ওই পুলিশ সদস্য দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন।
সকাল থেকে বিভিন্ন কেন্দ্রে লোকজনকে লম্বা সারিতে দেখা গেছে। তবে ইভিএম পদ্ধতিতে ভোট হওয়ায় অনেকে বুঝে উঠতে পারছেন না। ফলে, ভোট চলছে ধীরগতিতে। পশ্চিমগঙ্গব্রদী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ভোটের লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা আবদুল করিম মণ্ডল (৬৫) বলেন, এক ঘণ্টা ধরে তিনি দাঁড়িয়ে আছেন। তবে লাইন এগোচ্ছে না।
নির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী জেলা আওয়ামী লীগের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিবিষয়ক সম্পাদক অমিতাভ বোস। অন্যদিকে, বিএনপির প্রার্থী সদ্য প্রয়াত বিএনপি নেতা চৌধুরী কামাল ইবনে ইউসুফের মেয়ে নায়াব ইউসুফ। চৌধুরী কামাল ইবনে ইউসুফ গতকাল বুধবার ঢাকার একটি হাসপাতালে মারা যান।
নায়াব ইউসুফের প্রধান নির্বাচনী এজেন্ট এ কে কিবরিয়া স্বপন অভিযোগ করেন, তাঁদের এজেন্টদের আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের লোকজন বের করে দিয়েছেন।
জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা হাবিবুর রহমান বলেন,