বরিশাল নগরীর অভিজাত আবাসিক হোটেল এরিনার কক্ষ থেকে এক যুবকের মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। তার কক্ষে পাওয়া গেছে নেশাজাতীয় ইনজেকশন।
এ ঘটনার ২৪ ঘণ্টা আগে শনিবার নগরীর নথুল্লাবাদ কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল এলাকায় একটি হোটেল থেকে আরেক যুবকের মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছিল।
কোতোয়ালি মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. আসাদুজ্জামান জানান, সদর রোড এরিনা হোটেলের ৬০৮ নম্বর কক্ষ থেকে গতকাল দুপুর ২টার দিকে মিরন চন্দ্র হালদার (৩০) নামের ওই যুবকের লাশ উদ্ধার করা হয়। হোটেল রেজিস্টারের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী মিরন চন্দ্র শনিবার সন্ধ্যা ৬টার দিকে ওই কক্ষে উঠেছিলেন।
রোববার সকালে তার কক্ষ ত্যাগ করার কথা ছিল। দুপুর ১২টার পরও তিনি কক্ষ থেকে বের না হওয়ায় কর্মচারীরা ডাকাডাকি করে কোনো সাড়া পাননি। বিষয়টি কোতোয়ালি থানা পুলিশে জানানো হলে ২টার দিকে পুলিশ এসে বিকল্প চাবি দিয়ে কক্ষে ঢুকে বিছানার ওপর মিরন হালদারের মৃতদেহ দেখতে পায়।
পরিদর্শক আসাদুজ্জামান জানান, কক্ষের ভেতরে অনেকগুলো মরফিন ইনজেকশন ও সিরিঞ্জ পাওয়া গেছে। একটি ইনজেকশনের অ্যাম্পুল ভাঙা ছিল। এ থেকে ধারণা করা হচ্ছে, তিনি ইনজেকশন দিয়ে নেশা করার পর হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন অথবা অতিরিক্ত ইনজেকশন গ্রহণ করে আত্মহত্যা করেছেন। বিষয়টি নিশ্চিত হতে ময়নাতদন্তের জন্য লাশ মর্গে পাঠানো হয়েছে।
মিরন চন্দ্র হালদার বাকেরগঞ্জ উপজেলার ফরিদপুর ইউনিয়নের ভাতশালা গ্রামের অরুন চন্দ্র হালদারের ছেলে। তিনি বাকেরগঞ্জ পৌর শহরে জাহানারা ক্লিনিক নামে একটি বেসরকারি স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানে চাকরি করতেন।