বাংলাদেশ, শ্রীলঙ্কা, দক্ষিণ কোরিয়া এবং আসিয়ানভুক্ত দেশগুলো থেকে আমদানি করা পণ্যের ব্যাপারে কঠোর নজরদারি ও তদন্ত চেয়েছে ভারতের কেন্দ্রীয় বাণিজ্য ও শিল্প মন্ত্রণালয়। এসব দেশ থেকে চীনের আমদানি ক্রমে হ্রাস পাওয়ায় সতর্কতা হিসেবে ভারতও এই বিবেচনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। চলতি বছরের বাজেটে প্রস্তাবিত পরিবর্তনের সাথে সামঞ্জস্য রেখে ভারতের মুক্ত বাণিজ্য চুক্তির আওতায় বিধি কঠোর করার জন্য শুল্ক আইনে দ্রুত সংশোধনী আনারও তাগিদ দেয়া হয়েছে। এছাড়া মুক্ত বাণিজ্য নীতির (এফটিএ) সুবিধাগুলোর অপব্যবহার রোধে শুল্ক কর্মকর্তাদের ক্ষমতা বাড়ানোর জন্য অর্থ মন্ত্রণালয়ের প্রতিও অনুরোধ জানানো হয়েছে। খবর দ্য ইকোনমিক টাইমসের।
চলতি বছরের বাজেটে ভারত সরকার বাণিজ্য চুক্তির আওতায় মূল নিয়ম পরিচালনার বিষয়ে শুল্ক আইনে একটি নতুন অধ্যায় যুক্ত করেছে। এতে কোনো বিষয়ে অসম্পূর্ণ তথ্য যাচাই এবং প্রয়োজনে শুল্ক বাড়ানো কিংবা সংশ্লিষ্ট পণ্য প্রত্যাখ্যান করার অগ্রাধিকারমূলক ক্ষমতা দেয়া হয়েছে। এছাড়া একজন আমদানিকারক কেবল কর্তৃপক্ষের শংসাপত্র সরবরাহ করে ছাড় সুবিধা নিতে পারবেন না।
এই সংশোধনীগুলো অবশ্য এখনও সাধারণ্যে আনুষ্ঠানিকভাবে করা হয়নি।
একজন শীর্ষ কর্মকর্তা বলেন, ‘আমরা তৃতীয় দেশ থেকে আমদানি করা পণ্য যাচাই করে নেব এবং সন্দেহজনক চালান ছাড়াতে দেব না। অপ্রয়োজনীয় আমদানি রোধ করার জন্যই এটা করা হবে।’
আমদানি করা চীনা পণ্যের গুণগত মান নির্ধারণের ওপর শতভাগ সতর্কতা জারির সঙ্গে সঙ্গে উপরোক্ত দেশগুলো থেকে আমদানি করা পণ্যের ব্যাপারেও এমন পদক্ষেপ নিয়েছে ভারত সরকার।