বর্তমান সরকার ভারতের সাথে পরকীয়ার সম্পর্ক গড়ে তুলেছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব অ্যাড. মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল।
তিনি বলেন, ‘সাধারণ যুবক যুবতীর মধ্যে একটা প্রবণতা থাকে, সাধারণ বিয়ের চেয়ের নাকি পরকীয়ায় মজা অনেক বেশি। ওটার মধ্যে আলাদা রোমান্স থাকে, অ্যাডভেঞ্জার, একটা আলাদা আবেদন থাকে। এই সরকার পরকীয়ার মতো সম্পর্ক গড়ে তুলেছে ভারতের সঙ্গে। যেটা ভারত আদৌ দায়ী না। ভারত তার জাতীয় স্বার্থকে বিবাহিত লাইসেন্সের স্বার্থ হিসাবে দেখছে। কিন্তু দেখে মনে হচ্ছে আমরা তাদেরকে দেশে এনে তাদের সঙ্গে পরকীয়ায় লিপ্ত হয়েছি।’
মঙ্গলবার দুপুরে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে দেশ বাঁচাও মানুষ বাঁচাও আন্দোলন আয়োজিত ‘বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক ও আমাদের জাতীয় স্বার্থ’ শীর্ষক গোলটেবিল আলোচনায় তিনি এ মন্তব্য করেন।
ভারতীয় রাষ্ট্রদূতের বক্তব্যের সমালোচনা করে তিনি বলেন, ‘একজন রাষ্ট্রদূত একটা সেই দেশের প্রতীক ও পরিচয় বহন করে। তিনি কী করে একটি রাজনৈতিক দলের অফিসে গিয়ে বলেন এই দলের যদি কোনো বন্ধু না থাকে তাহলে আমাদের কোনো বন্ধু নাই। তার মানে বাংলাদেশে আওয়ামী লীগ ছাড়া তাদের কোনো বন্ধু নাই। এবং এটা বলছে ভারতীয় হাই কমিশনার। এটা কি ভুলে বলেছে না অন্য কোনো কারণে বলেছে আমার জানা নেই।’
বিএনপির এই নেতা বলেন, ‘সম্পর্ক থাকবে দুই দেশের জনগণের মাঝে। সরকারে, সরকারে সম্পর্ক থাকে না। সরকার অস্থায়ী। রাষ্ট্র অস্থায়ী ও চিরন্তন সত্ত্বা। রাষ্ট্রে রাষ্ট্রে সমতার ভিত্তিতে আমরা সম্পর্ক চাই।’
অনুষ্ঠানে উপস্থিত থেকে বক্তব্য দেন গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ও ট্রাস্টি ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী।
সংগঠনের সভাপতি কে এম রাকিবুল ইসলাম রিপুর সসভাপতিত্বে সভায় আরো উপস্থিত ছিলেন, বিএনপি নেতা মেজর (অব.) সরওয়ার, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক প্রফেসর ড. আব্দুল লতিফ মাসুম, বিএনপি চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা হাবিবুর রহমান হাবিব, ছাত্রদলের সাবেক সহ-সাধারণ সম্পাদক আরিফা সুলতানা রুমা, গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রেস উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর আলম মিন্টু প্রমুখ।