স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেছেন, ভ্যাকসিন নিয়ে কোনও সমালোচনা চাই না। দেশবাসীর জীবন রক্ষার্থে এই ভ্যাকসিন দেওয়া হচ্ছে। দেশের ও সমাজের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিরা এই ভ্যাকসিন নিচ্ছেন। কাজেই এ নিয়ে কোনও সমালোচনা করবেন না।
বিশ্বে বর্তমানে যতগুলো ভ্যাকসিন রয়েছে তার মধ্যে সবচেয়ে নিরাপদ অক্সফোর্ডের এস্ট্রাজেনেকার এই তৈরি এই টিকা। আগামী জুন নাগাদ বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার কোভ্যাক্স থেকে টিকা চলে আসবে। এই টিকাদান কর্মসূচি সারাবছর চলবে। আমরা চাই দেশবাসী স্বাভাবিকভাবে চলুক।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে মন্ত্রী বলেন, গত বছরের ৮ মার্চ দেশে প্রথম করোনা রোগী শনাক্ত হয়। ১৮ মার্চ প্রথম রোগী মারা যায়। সেই থেকে আমাদের যুদ্ধ শুরু। এরপর স্ক্রিনিং শুরু হয়, আইসোলেশন সেন্টার বানানো হয়। হাসপাতলে ১৫-২০ হাজার অতিরিক্ত বেড বাড়ানো হয়। সেন্ট্রাল অক্সিজেন, আইসিইউ ও টেলি মেডিসিনের ব্যবস্থা করা হয়। এর সব কিছু মিলিয়ে আমরা সুফল পাই। তবে আমাদের ব্যবস্থার অনেক সমালোচনা হয়েছে। সব সমালোচনার উর্ধ্বে উঠে আমরা কাজ করেছি। আজ বাংলাদেশ অনেক দেশের চেয়ে ভালো আছে। আমাদের জীবনযাত্রা স্বাভাবিক। কোনও হাহাকার নেই, খাবারের অভাব হয়নি, চিকিৎসার অভাব হয়নি। আজ আমাদের আনন্দের দিন।