সপ্তাহ কয়েক আগে হিশামের সঙ্গে দুবাইয়ে হানিমুনে যান তমা মির্জা। সেখানকার বেশ কিছু ছবিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করেন তারা। দেশে ফেরার পর থেকে তাদের সম্পর্কের অবনতি হতে থাকে।
একপর্যায়ে তারা দুজনই বাড্ডা থানায় পাল্টাপাল্টি মামলা করেন। গত ৫ ডিসেম্বর যৌতুক, নির্যাতন এবং ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে স্বামীর বিরুদ্ধে অভিযোগ এনে মামলা করেন তমা।
আর অন্যদিকে মারধর ও হত্যাচেষ্টার অভিযোগ এনে গত ৬ ডিসেম্বর মামলা করেন এই অভিনেত্রীর স্বামী হিশাম চিশতী।
এরপর ২৬ ডিসেম্বর নিজের ফেসবুক আইডি থেকে লাইভে আসেন জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারপ্রাপ্ত নায়িকা তমা মির্জা। প্রায় চল্লিশ মিনিটের এই লাইভে জানান, তিনি এখন চরম পর্যায়ে রয়েছেন।
শুধু তাই নয়, আত্মহত্যারও ইঙ্গিত দেন এই অভিনেত্রী। তিনি জানান, যদি তার কিছু হয়, তবে এর জন্য দায়ী থাকবেন হিশাম চিশতী।
তমা বলেন, ‘যদি হিশাম আমার আর কোনও ব্যক্তিগত ছবি বা বিষয় নিয়ে বাড়াবাড়ি করে বা প্রকাশ করে তাহলে আমি যদি আত্মহত্যা করি তার জন্য হিশাম দায়ী থাকবে।’
এদিকে বিবাদের কারণ হিসেবে হিশাম জানান, ২০১৮ সালে তমার সঙ্গে তার পরিচয় হয়। ২০১৯ সালের মে মাসে তারা বিয়ে করেন। কিন্তু বিয়ের পর তিনি জানতে পারেন, তমার আগেও দুবার বিয়ে হয়েছিল, যা তারা গোপন করেছেন। এছাড়া তমার পরিবারকে অর্থনৈতিকভাবে সহযোগিতাও করে আসছিলেন হিশাম।
গত বছর মে মাসে বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত কানাডা প্রবাসী ব্যবসায়ী হিশাম চিশতির সঙ্গে বিয়ে হয় তমা মির্জার।
https://www.facebook.com/100010356060240/videos/1300467553641768/