সর্বশেষ এক বগুড়া জেলায় মদ পানে ১৫ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। এছাড়া রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন জায়গায় এ ভেজাল মদ পানে অনেকের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে।
কয়েকটি মৃত্যুর ঘটনায় ভেজাল মদের বিষয়টি আলোচনায় আসার পর প্রশ্ন এসেছে, ভেজাল মদ পানে এত মানুষের মৃত্যু হচ্ছে; তাহলে এসব পানীয় তৈরি হচ্ছে কীভাবে?
এবার সেই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে গিয়ে দারুণ চাঞ্চল্যকর তথ্য পেয়েছে পুলিশ। জানা গেছে, স্পিরিটের সঙ্গে ক্ষতিকর বিভিন্ন উপাদান মিশিয়ে রাজধানীতে তৈরি হচ্ছে ভেজাল মদ। এরই মধ্যে রাজধানীতে ভেজাল মদ তৈরিতে যুক্ত কয়েকজনকে হাতেনাতে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
বিপুল পরিমাণ ভেজাল মদসহ, মদ তৈরির নানা সরঞ্জাম, মদের পুরনো বোতলও পাওয়া যায় সেখানে।
গোয়েন্দা পুলিশের এ উপকমিশনার আরও বলেন, এই ভাঙারি দোকানদার চড়ামূল্যে পাইকারি ও খুচরা বিক্রেতাদের হাতে তুলে দিত মদ নামক বিষ। তারা পুরান ঢাকার মিটফোর্ড এলাকা থেকে স্পিরিট, স্টিকার, রং সংগ্রহ করে, চিনি পোড়ানো কালার ব্যবহার করে নকল মদ তৈরি করতো। এই চক্রের ‘হোতা’ নাসির দীর্ঘদিন ধরেই মদ বিক্রি করে আসছিল। ‘ম্যানেজার’ আল আমিন বিভিন্ন খুচরা ও পাইকারি বিক্রেতার মাধ্যমে সেবনকারী পর্যায়ে বিক্রি করত।
এ পুলিশ কর্মকর্তা বলেন, বাড়িটি থেকে বিপুল পরিমাণ নকল বিদেশি মদ, খালি মদের বোতল, মদের বোতল আটকানোর ছিপি, স্টিকার, স্পিরিট, কৃত্রিম রঙ, সিলগালার সামগ্রী উদ্ধার করা হয়েছে।
পুলিশ জানায়, ভেজাল মদ পানে এক ব্যক্তির মৃত্যুর সূত্র ধরে এই কারখানাটির সন্ধান পাওয়া যায়। মৃত ওই ব্যক্তি মদ পেয়েছিলেন কীভাবে, তা একটি সিসি ক্যামেরায় ধরা পড়ার পর বিক্রেতাদের চিহ্নিত করার কাজ শুরু করে পুলিশ।