ইদানিং বাংলাদেশ ব্যাংক কথা বলতেও নারাজ।যদিও রিজার্ভ চুরি পর পর কেন্দ্রীয় ব্যাংক বলেছিল, পুরো অর্থ দুই-তিন বছরের মধ্যে ফেরত আনা সম্ভব হবে।
রিজার্ভ চুরির সঙ্গে জড়িতদের শাস্তি এবং টাকা ফেরত পাওয়ার জন্য বাংলাদেশ ব্যাংক যুক্তরাষ্ট্রের আদালত ইউএস ডিস্ট্রিক্ট কোর্ট ফর দ্য সাউদার্ন ডিস্ট্রিক্ট অব নিউ ইয়র্কে মামলা দায়ের করেছিল। তবে তা গত বছরের মার্চে খারিজ হয়ে গেছে। এতে অনিশ্চয়তা আরও বেড়েছে। অবশ্য মামলাটির রিভিউয়ের জন্য ফের আবেদন জানিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।
২০১৬ সালের ৪ ফেব্রুয়ারি রাতে যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংকে রক্ষিত বাংলাদেশের রিজার্ভ থেকে ১০ কোটি ১০ লাখ মার্কিন ডলার চুরি হয়। এর মধ্যে দুই কোটি ডলার যায় শ্রীলঙ্কায়। বানান ভুলের কারণে ও ব্যাংকিং সিস্টেমে থাকায় তা উদ্ধার সম্ভব হয়। বাকি আট কোটি ১০ লাখ ডলার যায় ফিলিপাইনে। এর মধ্যে বিভিন্ন সময়ে ফেরত আসে এক কোটি ৫০ লাখ ডলার। এখনো ছয় কোটি ৬০ লাখ ডলার বা ৫৬১ কোটি টাকার হদিস মিলছে না।
এ ঘটনায় বাংলাদেশ ব্যাংকের তৎকালিন গভর্নর আতিউর রহমানকে পদত্যাগ করতে বাধ্য হন। দুজন ডেপুটি গভর্নরকে সরিয়ে দেওয়া হয়। ঘটনা তদন্তে সাবেক গভর্নর মোহাম্মদ ফরাসউদ্দিনকে প্রধান করে কমিটি করে সরকার। ঐ কমিটির প্রতিবেদনে বলা হয়, রিজার্ভ চুরির ক্ষেত্র প্রস্তুত রেখেছিল বাংলাদেশ ব্যাংক নিজেই। যেখানে যথেষ্ট নিরাপত্তা ব্যবস্থা ছিল না। আর সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা দায়িত্বহীন ছিলেন। আর আন্তর্জাতিক লেনদেন নেটওয়ার্কের সঙ্গে স্থানীয় নেটওয়ার্ক যুক্ত করাই মূল অঘটনাটি ঘটেছিল।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, রিজার্ভ চুরির এ ঘটনায় প্রায় তিন বছর পর ২০১৯ সালের ১ ফেব্রুয়ারি (বাংলাদেশের স্থানীয় সময়) আরসিবিসির বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল আদালতে মামলা করে বাংলাদেশ। ওই মামলায় ফিলিপাইনের রিজাল কমার্শিয়াল ব্যাংকিং করপোরেশন (আরসিবিসি) ও সে দেশের অভিযুক্ত ক্যাসিনোসহ মোট ১৭ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান এবং তিন চীনা নাগরিককে দায়ী করা হয়। অন্যদিকে বাংলাদেশ থেকে যুক্তরাষ্ট্রের আদালতে মামলা করার পরই মামলার বিষয়বস্তু সংশ্লিষ্ট কোর্টের এখতিয়ারবহির্ভূত উল্লেখ করে পাল্টা মামলা করে আরসিবিসিসহ অন্যরা। সেই সঙ্গে বাংলাদেশ ব্যাংকের মামলাটি খারিজের আবেদন জানায় তারা। চলতি বছরের ২০ মার্চ আরসিবিসির করা ওই আবেদন খারিজ করে বাংলাদেশের পক্ষে রায় দেন যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল আদালত। নিউ ইয়র্কের স্টেট আদালতে মামলাটির কার্যক্রম পরিচালনার নির্দেশ দেওয়া হয়।
রিজার্ভ চুরির এ ঘটনায় প্রায় তিন বছর পর ২০১৯ সালের ১ ফেব্রুয়ারি (বাংলাদেশের স্থানীয় সময়) আরসিবিসির বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল আদালতে মামলা করে বাংলাদেশ। ওই মামলায় ফিলিপাইনের রিজাল কমার্শিয়াল ব্যাংকিং করপোরেশন (আরসিবিসি) ও সে দেশের অভিযুক্ত ক্যাসিনোসহ মোট ১৭ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান এবং তিন চীনা নাগরিককে দায়ী করা হয়। অন্যদিকে বাংলাদেশ থেকে যুক্তরাষ্ট্রের আদালতে মামলা করার পরই মামলার বিষয়বস্তু সংশ্লিষ্ট কোর্টের এখতিয়ারবহির্ভূত উল্লেখ করে পাল্টা মামলা করে আরসিবিসিসহ অন্যরা। সেই সঙ্গে বাংলাদেশ ব্যাংকের মামলাটি খারিজের আবেদন জানায় তারা। চলতি বছরের ২০ মার্চ আরসিবিসির করা ওই আবেদন খারিজ করে বাংলাদেশের পক্ষে রায় দেন যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল আদালত। নিউ ইয়র্কের স্টেট আদালতে মামলাটির কার্যক্রম পরিচালনার নির্দেশ দেওয়া হয়।