বাংলাদেশ বন্যপ্রাণী সেবা ফাউণ্ডেশনের পরিচালক সজল দেব জানান, আজ সকালে শ্রীমঙ্গল শহরের নতুন বাজারে একটি ঝুড়ির নীচ থেকে এটিকে উদ্ধার করে বন্যপ্রাণী সেবা ফাউণ্ডেশনে নিয়ে আসা হয়। এটিকে ফাউণ্ডেশনের একটি খাঁচায় রাখা হয়েছে।
আরও জানান, লালডোরা সাপ বিষাক্ত। এটি লালঘাড় ধোরা সাপ বা ওরল সাপ নামেও পরিচিত। এর ইংরেজী নাম রেড নেকড কিলব্যাক এবং বৈজ্ঞানিক নাম রেবডোফিস সাবমিনিয়েটাস।
পূর্ণবয়ষ্ক এই সাপের দৈর্ঘ্য ০.৭৫ থেকে ১.০ মিটার ও সর্বোচ্চ ১.৩ মিটার হয়ে থাকে। দেহের উপরটা সবুজাভ-ধুসর বা জলপাই-বাদামি এবং গলার দিকটা সিঁদুরে লাল। দেহের নিচটা হলদে, কখনো কখনো পেটের আঁশের বাইরের কিনারায় কালো কালো ফোঁটা থাকে।
সুত্র জানায়, এ সাপ দিবাচর। উত্তেজিত হলে মাথা ও গলা উঁচু করে গোখরা সাপের মতো ফণা তুলতে পারে। এরা বিষধর । কামড়ে তীব্র বিষের লক্ষণ দেখা যায়। এরা ব্যাঙ, গিরগিটি, ছোট ছোট স্তন্যপায়ী প্রাণী, মাছ ইত্যাদি খেয়ে থাকে। আর্দ্র বন, জলাশয়, পুকুর, জলপ্রবাহ, খাদ প্রভৃতির আশপাশের তৃণভূমি বা ঝোপঝাড় এবং ধানক্ষেত এদের আবাসস্হল। বংশবৃদ্ধির জন্য জুন থেকে জুলাই মাসে প্রজনন করে। ৫ থেকে ১৭ টি ডিম পাড়ে। বিরল এ সাপটি সিলেট ও চট্টগ্রাম বিভাগের মিশ্র চিরসবুজ বনে দেখা যায়।