রবিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৬, ০৭:৩১ অপরাহ্ন

‘সিনহাকে পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী গুলি করে হত্যা করা হয়েছে’

রিপোর্টারের নাম
  • প্রকাশিতঃ রবিবার, ১৩ ডিসেম্বর, ২০২০
  • ৪৬ জন নিউজটি পড়েছেন

টেকনাফের বাহারছড়ায় মেজর (অব.) সিনহা হত্যাকাণ্ডের মূল নায়ক ছিলেন তৎকালীন টেকনাফ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) প্রদীপ। তাঁকে পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী গুলি করে হত্যা করা হয়েছে বলে জানিয়েছে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব)।

আজ রবিবার বিকেলে রাজধানীর কারওয়ান বাজারে র‌্যাব মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান র‌্যাবের লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইংয়ের পরিচালক লেফটেন্যান্ট কর্নেল আশিক বিল্লাহ।

তিনি বলেন, মেজর (অব.) সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ হত্যা মামলায় ১৫ জনকে আসামি করে আদালতে চার্জশিট (অভিযোগপত্র) জমা দিয়েছে র‌্যাবের তদন্ত কর্মকর্তা।

ওসি প্রদীপের নির্দেশেই পরিদর্শক লিয়াকত টেকনাফের বাহারছড়া চেকপোস্টে মেজর (অব.) সিনহাকে লক্ষ করে গুলি চালায় বলে জানিয়েছে র‌্যাব।

র‌্যাব জানিয়েছে, গ্রেপ্তার হওয়া ১৪ জনের মধ্যে ১২ জন আদালতে ১৬৪ ধারায় দোষ স্বীকার করে ক্ষমাপ্রার্থনা করেছেন। তবে, ওসি প্রদীপ ও কনস্টেবল রুবেল শর্মা দায় স্বীকার করেননি।

লেফটেন্যান্ট কর্নেল আশিক বিল্লাহ এ বিষয়ে বলেন, হত্যা মামলার তদন্তে বেরিয়ে এসেছে সিনহাকে পূর্ব পরিকল্পিতভাবে ওসি প্রদীপের নির্দেশেই পরিদর্শক লিয়াকত ৫ সহযোগীকে সঙ্গে নিয়ে হত্যা করেছে। আর এই হত্যাকাণ্ডে ১৫ জন প্রত্যক্ষভাবে জড়িত ছিলেন। এ ১৫ জনের মধ্যে ১৪ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বাকি একজন কনস্টেবল সাগর দেবনাথ এখনো পলাতক। তাদের সর্বোচ্চ শাস্তি যেন দেওয়া হয় চার্জশিটে সে সুপারিশ করা হয়েছে।

তিনি বলেন, ৩১ জুলাই রাতে কক্সবাজারের টেকনাফ থানাধীন মেরিন ড্রাইভে বাহারছড়া ক্যাম্পের কাছে মেজর (অব.) সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ খান পুলিশের গুলিতে নিহত হন। তার মৃত্যুর পর মোট ৪টি মামলা আদালতে দায়ের করা হয়। আদালতের নির্দেশে তদন্তভার পায় র‌্যাব। এর একটি টেকনাফ থানায় মাদক সংক্রান্ত মামলা, আরেকটি পুলিশের কাজে বাধাদান সংক্রান্ত এবং রামু থানায় আরেকটি শহিদুল ইসলাম সিফাত ও মেজর সিনহাকে আসামি করে মামলা করা হয়। ইতোমধ্যে র‌্যাব ওই তিন মামলার চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল করেছে। ওই তিন মামলা মিথ্যে প্রতীয়মান হওয়ায় এবং মামলার স্বপক্ষে কোনোধরনের সাক্ষ্য প্রমাণ না থাকায় আসামিদের দায়মুক্তি চেয়ে আদালতে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল করা হয়।

এ মামলায় কারাগারে রয়েছেন ১৪ জন। একজন পলাতক তিনি হচ্ছেন কনস্টেবল সাগর দে। আরও দুজনকে অভিযুক্ত করে যে মামলাটি দায়ের করা হয়েছিল তাদের নাম ঠিকানা ভুল থাকায় তাদের অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।

নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন

এই ক্যাটাগরির আর নিউজ
© All rights reserved © vira-l.com 2017-2022
themesba-lates1749691102
Bengali English