নতজানু পররাষ্ট্রনীতির কারণে সীমান্তে বারবার হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটছে এবং হত্যাকাণ্ড বন্ধে সরকার ব্যর্থ মন্তব্য করে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রেসিডিয়াম সদস্য মাওলানা মোসাদ্দেক বিল্লাহ আল মাদানী বলেছেন, বিএসএফ কর্তৃক সীমান্তে বাংলাদেশের নাগরিকদের হত্যাকাণ্ড বন্ধে প্রয়োজনে সেনা সদস্য মোতায়ন করুন। এক্ষেত্রে সরকারের রহস্যজনক নীরবতা দেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব প্রশ্নে মানুষের কাছে ভিন্ন বার্তা যাবে। স্বাধীনতা-পরবর্তী যারাই ক্ষমতায় ছিলেন, তারাই ক্ষমতার স্বার্থে বাংলাদেশের স্বার্থ বিকিয়ে দিয়ে তাবেদারের ভূমিকা পালন করেছে। তিনি ক্ষমতার মোহ পরিহার করে প্রকৃত দেশপ্রেম নিয়ে সরকার পরিচালনার আহ্বান জানান। শনিবার বিকেলে পল্টনস্থ কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের নির্বাহী পরিষদের মাসিক সভায় সভাপতির বক্তব্যে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ-এর প্রেসিডিয়াম সদস্য মাওলানা সৈয়দ মোসাদ্দেক বিল্লাহ আল মাদানী এ কথা বলেন। মাওলানা মোসাদ্দেক বিল্লাহ আল মাদানী আরো বলেন, অভ্যন্তরীণ সমস্যা সমাধান করতে বর্তমান সরকার ব্যর্থ হওয়ায় বিদেশি সম্রাজ্যবাদী ও আধিপত্যবাদী অপশক্তিগুলো অপতৎপরতার সুযোগ নিচ্ছে। এভাবে চলতে থাকলে দেশের স্বাধীনতা সার্বভৌমত্ব হুমকির মুখে পড়বে। যা এক সাগর রক্তের বিনিময়ে অর্জিত স্বাধীন বাংলার ১৭ কোটি মানুষের কারোরই কাম্য নয়। এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন, মহাসচিব অধ্যক্ষ মাওলানা ইউনুছ আহমাদ, প্রেসিডিয়াম সদস্য খন্দকার গোলাম মাওলা, দলের রাজনৈতিক উপদেষ্টা অধ্যাপক আশরাফ আলী আকন, যুগ্ম মহাসচিব অধ্যাপক মাহবুবুর রহমান, মাওলানা গাজী আতাউর রহমান, সহকারী মহাসচিব আলহাজ আমিনুল ইসলাম, কেন্দ্রীয় নেতা আশরাফুল আলম, কে এম আতিকুর রহমান, মাওলানা ইমতিয়াজ আলম, মুফতি দেলাওয়ার হোসাইন সাকী, মাওলানা নেসার উদ্দিন, মাওলানা লোকমান হোসেন জাফরী, মাওলানা শেখ ফজলে বারী মাসউদ, আলহাজ আবদুর রহমান, অধ্যাপক সৈয়দ বেলায়েত হোসেন, জিএম রুহুল আমীন, বরকত উল্লাহ লতিফ, এ্যাডভোকেট শওকত আলী হাওলাদার, মাওলানা কেফায়েতুল্লাহ কাশফী, মাওলানা খলিলুর রহমান, সেলিম মাহমুদ প্রমূখ।