সুন্দরবনে কোস্টগার্ডের অভিযানে জীবিত হরিণসহ চোরা শিকারী আটকসুন্দরবনে কোস্টগার্ডের অভিযানে জীবিত হরিণসহ চোরা শিকারী আটকসুন্দরবন সংলগ্ন লাউডোব খেয়াঘাট এলাকায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করে ফাঁদসহ একটি জীবিত হরিণ উদ্ধার করেছে কোস্টগার্ড পশ্চিম জোন। এঘটনায় জড়িত এক চোরা শিকারীকে আটক করা হয়েছে।
মোংলা কোস্টগার্ড পশ্চিম জোনের গোয়েন্দা কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট মাজহারুল হক জানান, সম্প্রতি সুন্দরবন সংলগ্ন এলাকাসমূহে বিভিন্ন প্রজাতির বণ্যপ্রাণী হত্যা ও হরিণ শিকারের ঘটনা বেড়ে যাওয়ায় কোস্টগার্ড পশ্চিম জোনের পক্ষ থেকে টহল জোরদার করা হয়। চোরা শিকারীদের অপতৎপরতা ঠেকাতে সুন্দরবনের বিভিন্ন পয়েন্টে নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় কোস্টগার্ড পশ্চিম জোনের বিসিজি বেইজ মোংলার একটি টহল দল শুক্রবার (৫ মার্চ) ভোররাতে সুন্দরবন সংলগ্ন লাউডোব খেয়াঘাট এলাকার একটি ভবনের পাশে অভিযান পরিচালনা করে ফাঁদসহ একটি জীবিত হরিণ উদ্ধার করে । এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে এক চোরা শিকারীকে আটক করা হয়। আটক চোরা শিকারীর নাম শাকিল সরদার (১৯)। সে দাকোপের ভোজনখালী গ্রামের ইমাদুল সরদারের ছেলে।
আটক শাকিল সরদার দীর্ঘদিন ধরেই সুন্দরবনে ফাঁদ পেতে হরিণ শিকার করে আসছে এবং একটি সংঘবদ্ধ চক্রের মাধ্যমে হরিণের মাংস, চামড়া ও মাথা দেশের বিভিন্ন স্থানে পাচার করত বলে কোস্টগার্ডের গোয়েন্দা দপ্তর সূত্রে জানা গেছে। উদ্ধারকৃত হরিণ ও চোরা শিকারী শাকিল সরদারকে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য ঢাংমারী ফরেষ্ট অফিসে স্থানান্তর করা হয়েছে।
কোস্টগার্ড কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট মাজহারুল হক আরো জানান,বাংলাদেশ কোস্টগার্ড পশ্চিম জোনের এখতিয়ারভূক্ত এলাকাসমূহে আইন শৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণ, বণ্যপ্রাণী পাচারকারীদের বিরুদ্ধে জিরো ট্রলারেন্স নীতি গ্রহণ, ডাকাতি দমন ও জননিরাপত্তা নিশ্চিতের পাশাপাশি অবৈধভাবে মৎস্য আহরণ, জাটকা নিধন ও মা ইলিশ রক্ষায় কোস্টগার্ড নিয়মিত অভিযান পরিচালনা অব্যাহত রাখবে।