রবিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৬, ০১:৫১ অপরাহ্ন

সৌদি আরবকে ক্ষুদ্র অর্থায়ন শেখাবে বাংলাদেশ

রিপোর্টারের নাম
  • প্রকাশিতঃ শুক্রবার, ৪ সেপ্টেম্বর, ২০২০
  • ৪৮ জন নিউজটি পড়েছেন

বাংলাদেশ হচ্ছে ক্ষুদ্রঋণ কর্মসূচির চারণভূমি। ক্ষুদ্রঋণের উদ্ভাবক ও ক্ষুদ্রঋণের অগ্রদূতও বলা হয় এ দেশকে। তাই বাংলাদেশের কাছ থেকে ক্ষুদ্র অর্থায়ন বা মাইক্রো ফিন্যান্স শিখতে আগ্রহ প্রকাশ করেছে সৌদি আরব। সম্প্রতি অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ-সৌদি আরব যৌথ কমিশন সভায় তারা এ আগ্রহ প্রকাশ করেছে। বিষয়টি সানন্দে গ্রহণ করেছে বাংলাদেশ সরকার। এ বিষয়ে ব্যবস্থা নিতে অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের মধ্যপ্রাচ্য শাখা-১ থেকে আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগে চিঠি পাঠানো হয়েছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।

সূত্র মতে, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে ক্ষুদ্রঋণ ক্ষুদ্র অর্থায়ন বা মাইক্রো ফিন্যান্স নামে ব্যাপক পরিচিতি লাভ করেছে। দারিদ্র্য বিমোচনের কথা বলে বিভিন্ন এনজিও প্রতিষ্ঠান ক্ষুদ্রঋণের জমজমাট ব্যবসা করছে। ড. মুহাম্মদ ইউনূস তো ক্ষুদ্রঋণ নিয়ে নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন। ড. মুহাম্মদ ইউনূসের প্রতিষ্ঠিত গ্রামীণ ব্যাংকে ক্ষুদ্রঋণ পরিশোধের হার ৯৮ শতাংশ। এ বিষয়গুলো আকৃষ্ট করেছে সৌদি আরবকে। তাই ক্ষুদ্র অর্থায়ন কিভাবে পরিচালনা করা হয়, কোন নিয়ম বা আইনে পরিচালিত হয়—এসব বিষয় জানতে চেয়েছে দেশটি। বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে বিষয়গুলো শেখানো হবে বলে জানানো হয়েছে। এরই মধ্যে বাংলাদেশ ব্যাংক অভিজ্ঞতা শেয়ার করার ব্যাপারটিতে সম্মতি জানিয়েছে। বাংলাদেশের পক্ষ থেকে সৌদি সরকারকে এ ব্যাপারে মাইক্রো ক্রেডিট রেগুলেটরি অথরিটি (এমআরএ) ও পল্লী কর্মসহায়ক ফাউন্ডেশনের (পিকেএসএফ) সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলা হয়েছে। এ দুটি প্রতিষ্ঠান সৌদি সরকারকে ক্ষুদ্র অর্থায়ন কিভাবে পরিচালিত হয় তা শেখাবে।

এ ব্যাপারে মাইক্রো ক্রেডিট রেগুলেটরি অথরিটির এক্সিকিউটিভ ভাইস চেয়ারম্যান অমলেন্দু মুখার্জী বলেন, ‘আমরা অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে একটি চিঠি পেয়েছি। এখন সৌদি সরকারের কাছ থেকে চিঠি পেলে আমরা তাদের ট্রেনিংয়ের ব্যবস্থা করব।’

এমআরএ সূত্রে জানা গেছে, সৌদি আরবই প্রথম দেশ নয় যারা বাংলাদেশের কাছ থেকে ক্ষুদ্র অর্থায়ন শিখতে চেয়েছে। এর আগে আফ্রিকান বিভিন্ন দেশকে ক্ষুদ্র অর্থায়ন বা ক্ষুদ্রঋণ শিখিয়েছে। এমআরএ এসব দেশগুলোকে প্রশিক্ষণ দিয়েছে। সর্বশেষ শ্রীলঙ্কা এমআরএর কাছ থেকে প্রশিক্ষণ নিয়েছে।

এদিকে শুধু ক্ষুদ্র অর্থায়নই নয়, সৌদি সরকার বাংলাদেশের বাণিজ্যিক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর ব্যাপারেও আগ্রহী। বাংলাদেশ-সৌদি আরব যৌথ কমিশন সভায় দেশটির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, বাংলাদেশের বাণিজ্যিক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সৌদি সরকার কাজ করতে আগ্রহী। পাশাপাশি বাংলাদেশের বাণিজ্যিক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের গ্রাহকরা যদি সৌদি আরব থেকে পণ্য আমদানি করতে চায় তাহলে তারা সর্বোচ্চ সহযোগিতা করবে।

নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন

এই ক্যাটাগরির আর নিউজ
© All rights reserved © vira-l.com 2017-2022
themesba-lates1749691102
Bengali English