সোমবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২৬, ০৮:২৮ অপরাহ্ন

স্টেডিয়াম গুলো যেন মরু গোলাপ

রিপোর্টারের নাম
  • প্রকাশিতঃ বুধবার, ২ ডিসেম্বর, ২০২০
  • ৪৫ জন নিউজটি পড়েছেন

পুরো আরব বিশ্বের মরুভূমিতে পাওয়া যায় মরু গোলাপ। এছাড়া স্পেন, জার্মানী, মঙ্গোলিয়া, ল্যাতিন আমেরিকা, মেক্সিকো এবং অস্ট্রেলিয়াতেও মেলে এর সন্ধান। মরুভূমিতে এবং রুক্ষ পাহাড়ী এলাকায় বছরের পর বছর প্রাকৃতিক কারনে তৈরী হয় এই ফুল সদৃশ্য বস্তুটি। বালি-পাথর আর অন্যান্য প্রাকৃতিক উপাদানের সংমিশ্রনে তৈরী হওয়া কঠিন বস্তুটিই মরু গোলাপ।

আধা ইঞ্চি থেকে দুই তিন ইঞ্চি পর্যন্ত লম্বা হয় এগুলো। আবার মরু ভূমির এক ধরনের ফুলেরও পরিচিতি মরু গোলাপ নামে। ২০২২ কাতার বিশ্বকাপ উপলক্ষে কাতার সরকার যে আটটি নতুন স্টেডিয়াম প্রস্তুত রেখেছে, বানিয়েছে বা বানাচ্ছে এর প্রত্যেকটি যেন একটি মরু গোলাপ।

দেখতে দারুন সুন্দর এই স্টেডিয়াম গুলো। সব কটি স্টেডিয়ামের অবস্থানই দেশটির পূর্ব অংশে। চারটি আবার পারস্য উপসাগরের পাশে।

উল্লেখ্য, দেশটির তিন পাশে পারস্য উপসাগর। এর মধ্যে সবচেয়ে বড় স্টেডিয়ামের নাম লুসাইল স্টেডিয়াম। ৮০ হাজার দর্শক ধারন ক্ষমতা সম্পন্ন এই স্টেডিয়ামে হবে উদ্বোধনী এবং ফাইনাল ম্যাচসহ নয়টি খেলা। দর্শক ধারণক্ষমতার দিক থেকে এর পরেই অবস্থান আল খোরের আল বায়েত স্টেডিয়ামের। ৬০ হাজার ফুটবল প্রেমী এই মাঠে উপভোগ করতে পারবেন আটটি ম্যাচ। বাকী ছয় স্টেডিয়ামে ৪০ হাজারের বেশী দর্শকের উপস্থিতির কোনো সুযোগ নেই। স্টেডিয়ামগুলো ছোট হলেও খুবই নজর কাড়া সৌন্দর্য্য।

তবে সব স্টেডিয়ামের নির্মাণ কাজ এখনও শেষ হয়নি। আগামী বছরই সব প্রস্তুত হয়ে যাবে পুরাপুরি। এই মুহুর্তে ম্যাচ উপযোগী স্টেডিয়াম হলো আল বায়েত স্টেডিয়াম, খলিফা ইন্টারন্যাশনাল স্টেডিয়াম, আল ওয়াকরামের আল জানুব স্টেডিয়াম, লুসাইল স্টেডিয়াম। বাকী গুলোর ৮০/৯০ শতাংশ কাজ শেষ। এই খলিফা স্টেডিয়ামেই কাতারের সাথে বিশ্বকাপ বাছাই ম্যাচ বাংলাদেশের। পুরনো এই স্টেডিয়ামে আগে দর্শক ধারণ ক্ষমতা ছিল ২০ হাজার। বিশ্বকাপ উপলক্ষে তা ৪০ হাজারে উন্নীত করা হয়েছে। এই মাঠে আর্জেন্টিনা-ব্রাজিলের ফিফা প্রীতি ম্যাচ হয়েছে।

২০১০ সালে ২০২২ বিশ্বকাপের স্বাগতিক হয় মধ্য প্রাচ্যের তেল সম্মৃদ্ধ এই ধনী দেশটি। এরপরই শুরু হয় দেশটির বিশ্বকাপ প্রস্তুতি। দেশ জুনে নানান কর্মযজ্ঞ। মেট্রোরেল, স্টেডিয়ামের পাশে আবাসন ব্যবস্থা, রাস্তার উন্নয়ন, স্টেডিয়াম বানানো এবং সংস্কার সবই চলছে জোরদমে। গত দশ বছরে ব্যাপক উন্নয়ন হয়েছে। পাঁচ তারকা হোটেলই হয়েছে ৭০/৮০ টি। জানান স্থানীয় বাংলাদেশীরা।

তবে সব স্টেডিয়াম বর্তমান রুপে থাকবে না বিশ্বকাপ শেষ হওয়ার পর। কোথার আসন সংখ্যা কমানো হবে। কোথাওবা অন্য সুযোগ সুবিধা হ্রাস।

নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন

এই ক্যাটাগরির আর নিউজ
© All rights reserved © vira-l.com 2017-2022
themesba-lates1749691102
Bengali English