বাজারে চাহিদা থাকায় এবং আমদানি কম হওয়ায় ফের বাড়লো আমদানিকৃত পিয়াজের দাম। দিনাজপুরের হিলি বাজারে আমদানিকৃত পিয়াজ কেজিতে ৪-৬ টাকা বেড়ে প্রকার ভেদে প্রতি কেজি ২৪-৩৪ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।
এদিকে, করোনা সংক্রমণ প্রতিরোধে লকডাউনের এই সময়ে পিয়াজের দাম বাড়ায় বিপাকে পড়েছেন পাইকারি-খুচরা ব্যবসায়ী ও নিম্ন আয়ের ক্রেতারা। দিনাজপুর শহরের খুচরা বাজারেও প্রতি কেজি পিয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৪০ টাকা দরে।
জানা যায়, স্থলবন্দর দিয়ে ভারতীয় ইন্দো ও নাসিক জাতের পিয়াজ আমদানি অব্যাহত রয়েছে। পাঁচ দিন আগে ইন্দো জাতের পিয়াজ স্থলবন্দরে ২৪-২৫ টাকা কেজি দরে বিক্রি হলেও বর্তমানে তা ৩২ টাকা এবং নাসিক জাতের পিয়াজ পাঁচ দিন আগে ২৭-২৯ টাকা বিক্রি হলেও বর্তমানে ৩৪ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।
পিয়াজ কিনতে আসা পাইকার তাজ বলেন, হিলি স্থলবন্দর থেকে পিয়াজ কিনে তা রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন মোকামে সরবরাহ করি। কিন্তু প্রায় প্রতিদিন যেভাবে দাম বাড়ছে, তাতে পিয়াজ কেনা নিয়ে সংশয়ে আছি। একদিকে লকডাউন, তার ওপর সামনে ঈদ উপলক্ষে মোকামগুলোতে পিয়াজের চাহিদা আগের তুলনায় বেড়েছে। বাধ্য হয়ে বাড়তি দামে পিয়াজ কিনে মোকামে পাঠাচ্ছি। তবে পরিমাণ কমিয়েছি।
হিলির পিয়াজ ব্যবসায়ী সাহাবুল ইসলাম বলেন, লকডাউনকে ঘিরে বাজারে পিয়াজের চাহিদা বেড়েছে। অন্যদিকে পিয়াজের আমদানি কম হওয়ায় বাজারে চাহিদার তুলনায় সরবরাহ কমেছে। ফলে দাম বেড়েছে।
পিয়াজ আমদানিকারক ও হিলি আমদানি-রফতানি গ্রুপের সভাপতি হারুন-উর রশিদ জানান, ভারতের বিভিন্ন এলাকায় বৃষ্টি হচ্ছে। পিয়াজের দাম ওপারেও বাড়ছে। আবার পিয়াজের আমদানি কম হওয়ায় এবং শুক্রবার আমদানি-রফতানি বন্ধের কারণে বাজারে চাহিদার তুলনায় সরবরাহ কমেছে। এতে একটু দাম বেড়েছে।
লকডাউনেও হিলি স্থলবন্দর দিয়ে পিয়াজ আমদানি অব্যাহত রয়েছে। তবে কিছুটা কমেছে আমদানির পরিমাণ। গত মঙ্গলবার বন্দর দিয়ে ২৫টি ট্রাকে ৬২৬ টন পিয়াজ আমদানি হয়। বুধবার ১৬টি ট্রাকে আমদানি হয় ৪১৮ টন পিয়াজ। বৃহস্পতিবার ১৩টি ট্রাকে ৩৭০ টন পিঁয়াজ আমদানি হয়েছে।