রবিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৬, ০১:৫৭ পূর্বাহ্ন

১০০ বছরে পৃথিবীর সর্বোচ্চ তাপমাত্রার রেকর্ড

রিপোর্টারের নাম
  • প্রকাশিতঃ মঙ্গলবার, ১৮ আগস্ট, ২০২০
  • ৬০ জন নিউজটি পড়েছেন

১০০ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ তাপমাত্রার রেকর্ড গড়েছে পৃথিবী। যুক্তরাষ্ট্রের ডেথ ভ্যালি পৃথিবীর উষ্ণতম স্থানের ওই রেকর্ড করেছে। ক্যালিফোর্নিয়ার ডেথ ভ্যালি ন্যাশনাল পার্কে গত রোববার ১৯১৩ সালের পর সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ১৩০ ডিগ্রি ফারেনহাইট (৫৪.৪ ডিগ্রি সে.) রেকর্ড করা হয়। এটিকেই এখন পর্যন্ত পৃথিবীর সর্বোচ্চ তাপমাত্রা হিসেবে মনে করা হচ্ছে। বিবিসি অনলাইনের প্রতিবেদনে জানানো হয়, যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল ওয়েদার সার্ভিস (এনডব্লিউএস) কর্তৃপক্ষ বিষয়টি যাচাই করেছে।

এনডব্লিউএসের তথ্য অনুযায়ী, রোববার ৫৪ ডিগ্রি তাপমাত্রা পার হওয়ার রেকর্ড হয়েছে। এ পর্যন্ত ডেথ ভ্যালিতে সর্বোচ্চ তাপমাত্রার রেকর্ড ৫৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। কিন্তু ওই রেকর্ড ১০০ বছরের বেশি আগের। বিবিসির খবরে বলা হয়েছে, ২০১৩ সালে ডেথ ভ্যালিতে ৫৪ ডিগ্রি তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছিল। প্রায় এক শতাব্দী আগে এই ডেথ ভ্যালিতে ৫৬ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেন্টিগ্রেড তাপমাত্রা রেকর্ড হয়। তবে সেই রেকর্ড নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। ১৯৩১ সালে তিউনিসিয়াতে ৫৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড হয় বলে জানা যায়।

বিবিসি অনলাইনের প্রতিবেদনে জানানো হয়, পৃথিবীতে এখন পর্যন্ত নির্ভরযোগ্য যে রেকর্ড রাখা আছে, সে অনুযায়ী সর্বোচ্চ তাপমাত্রার রেকর্ড তৈরি হয়েছে। রোববার যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ার ডেথ ভ্যালি ন্যাশনাল পার্কের একটি স্থানে এ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়। ফারনেস ক্রিক নামের জায়গাটিতে সেদিন তাপমাত্রা ৫৪ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াসে পৌঁছায় বলে নিশ্চিত করেছে মার্কিন আবহাওয়া কর্তৃপক্ষ। দেশটির পশ্চিম উপকূলজুড়ে তাপপ্রবাহ চলতে থাকায় এ সপ্তাহে তাপমাত্রা আরও বাড়তে পারে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে এনডব্লিউএস।

রোববারের পর গতকাল সোমবারেও ডেথ ভ্যালির তাপমাত্রা ৫৩ ডিগ্রি থাকার পূর্বাভাস দেওয়া হয়। যুক্তরাষ্ট্রের আবহাওয়া অফিসের পক্ষ থেকে ক্যালিফোর্নিয়া, নেভাদা, অ্যারিজোনা ও উটাহ এলাকার বাসিন্দাদের বিকেল পাঁচটা থেকে রাত আটটার মধ্যে বাইরে চলাচল সীমিত রাখতে বলা হয়। তীব্র তাপপ্রবাহের কারণে গত শনিবারই বিকল হয়ে পড়েছে যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ার একটি বিদ্যুৎকেন্দ্র। এ কারণে টানা দুদিন ধরে বিদ্যুৎহীন হয়ে পড়েছে ওই অঞ্চল।

ডেথ ভ্যালি ন্যাশনাল পার্কে কর্মরত ব্রান্ডি স্টুয়ার্ট বলেছেন, ‘মারাত্মক গরম, যেন মুখ পুড়ে যায়।’

বিরতি দিয়ে পাঁচ বছর ধরে পার্কে কাজ করেন স্টুয়ার্ট। বাইরে থাকা কষ্টদায়ক হয়ে যাওয়ায় আগস্ট মাসের বেশির ভাগ সময়ই তাঁকে ঘরের ভেতর কাটাতে হয়। তিনি বলেন, এ সময় বাইরে হাঁটলে মনে হবে যেন মুখে হেয়ারড্রায়ার (চুল শুকানোর যন্ত্র) দিয়ে কেউ তাপ দিচ্ছে। গরম টের পাবেন, মনে হবে যেন ওভেনের মধ্য দিয়ে হাঁটছেন আর চারপাশ থেকে তাপ ছড়াচ্ছে।’

নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন

এই ক্যাটাগরির আর নিউজ
© All rights reserved © vira-l.com 2017-2022
themesba-lates1749691102
Bengali English