রবিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৬, ০৬:১৫ অপরাহ্ন

২০৩০ সাল নাগাদ ৮৫ হাজার কোটি টাকার প্লাস্টিক পণ্য রপ্তানির টার্গেট

রিপোর্টারের নাম
  • প্রকাশিতঃ রবিবার, ২৪ জানুয়ারী, ২০২১
  • ৩৭ জন নিউজটি পড়েছেন

শনিবার ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জে উদ্বোধন করা হয়েছে বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব প্লাস্টিক ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড টেকনোলজি (বিপেট)। বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি এর উদ্বোধন করেন। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে জানান হয়, দেশের চাহিদা মিটিয়ে আগামী ২০৩০ সাল নাগাদ বছরে ৮৫ হাজার কোটি টাকার প্লাস্টিক পণ্যসামগ্রী রপ্তানি করার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। বর্তমান এ শিল্পখাত ১ বিলিয়ন ডলারের (সাড়ে ৮ হাজার কোটি টাকা) প্লাস্টিক পণ্যসামগ্রী রপ্তানি করছে বাংলাদেশ।

অভ্যন্তরীণভাবেও বর্তমানে দেশের প্রতিটি মানুষ গড়ে পাঁচ-সাত কেজি প্লাস্টিক পণ্য ব্যবহার করছে। কিন্তু ১০ বছর পর তা সাত গুণ বেড়ে দাঁড়াবে ৩৫-৪০ কেজিতে। তাই সম্ভাবনাময় প্লাস্টিক পণ্যের গুণগত মান বাড়ানো এবং দক্ষ জনবল গড়ে তোলার তাগিদ দিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি। তিনি বলেন, শুরুতে গার্মেন্টস পণ্যও সীমিত আকারে রপ্তানি হতো, এখন পৃথিবীর দ্বিতীয় বৃহত্তম গার্মেন্টস রপ্তানিকারক দেশ হিসেবে বাংলাদেশ জায়গা করে নিয়েছে। প্লাস্টিক পণ্যের রপ্তানি বাড়াতে সরকার সব ধরনের নীতিগত সহায়তা দেবে।

বাংলাদেশ প্লাস্টিক গুডস ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ও এফবিসিসিআইর সাবেক সহসভাপতি মো. জসিম উদ্দিনের সভাপতিত্বে এতে বিশেষ অতিথি ছিলেন বাণিজ্য সচিব মো. জাফর উদ্দীন, সংগঠনটির ভাইস-প্রেসিডেন্ট গিয়াস উদ্দিন আহমেদ, সাবেক প্রেসিডেন্ট শামীম আহমেদ, সাবেক প্রেসিডেন্ট এস এম কামাল উদ্দিন, প্রাণ-আরএফএল গ্রুপের চেয়ারম্যান আহসান খান চৌধুরী প্রমুখ।

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, প্লাস্টিক শিল্প বাংলাদেশের জন্য একটি সম্ভাবনাময় খাত, বিশ্বে প্লাস্টিক পণ্যের বিশাল বাজার রয়েছে। পণ্যের মান, ডিজাইন ও দক্ষতা দিয়ে বিশ্ববাজার দখল করতে হবে। তিনি বলেন, প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে দক্ষতা অর্জনের বিকল্প নেই। এ ইনস্টিটিউট দক্ষ জনশক্তি তৈরি করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আমি বিশ্বাস করি। এক সময় বাংলাদেশ তৈরি পোশাক শিল্পের চাহিদা মেটাতে বিদেশ থেকে প্লাস্টিক পণ্য আমদানি করত। আজ বাংলাদেশ এসব প্লাস্টিক পণ্যের চাহিদা পূরণ করে বিদেশে রপ্তানি করছে। তিনি বলেন, সরকার এখন মুক্ত বাণিজ্য ও অগ্রাধিকার বাণিজ্য চুক্তির দিকে অগ্রসর হচ্ছে। এ কারণে বিশ্ব বাজারে রপ্তানি বাড়ানোর সুযোগ তৈরি হবে।

সংগঠনের সভাপতি ও ইনস্টিটিউটের ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান মো. জসিম উদ্দিন বলেন, আগামী ২০৩০ সাল নাগাদ মাথাপিছু ৩৫ কেজি প্লাস্টিকের চাহিদা তৈরি হবে। এজন্য এখন থেকেই প্রস্তুতি নেওয়া প্রয়োজন। প্লাস্টিক শিল্প খাতের ৫ হাজার কারখানায় বিপুল সংখ্যক মানুষের কর্মসংস্থান হচ্ছে। আগামীতে আরো কর্মসংস্থান বাড়াতে এ খাতে বড় অঙ্কের বিনিয়োগ করতে উদ্যোক্তারা প্রস্তুতি গ্রহণ করছেন। এজন্য সরকারের নীতিগত সহায়তা প্রয়োজন। তিনি বলেন, বিপেটের কার্যক্রম দ্রুত শেষ করতে আরো ২৫ কোটি টাকা প্রয়োজন। সংগঠনের পক্ষ থেকে টাকা চেয়ে সরকারের কাছে আবেদন করা হয়েছে। আশা করছি, দ্রুত এই অর্থের বরাদ্দ পাওয়া যাবে। তিনি বলেন, ভবিষ্যতে রপ্তানি বাণিজ্যে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে প্লাস্টিক শিল্পখাত। সে কারণেই প্লাস্টিক শিল খাতের দক্ষ জনবল তৈরিতে বিপেট কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারবে।

নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন

এই ক্যাটাগরির আর নিউজ
© All rights reserved © vira-l.com 2017-2022
themesba-lates1749691102
Bengali English