শনিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৬, ১১:৩১ অপরাহ্ন

৭ বছরে সাড়ে ৪ লাখ কোটি টাকা পাচার হয়েছে দেশ থেকে

রিপোর্টারের নাম
  • প্রকাশিতঃ মঙ্গলবার, ২ ফেব্রুয়ারী, ২০২১
  • ৪০ জন নিউজটি পড়েছেন

মিথ্যা ঘোষণা দিয়ে বাংলাদেশ থেকে পণ্য আমদানি-রফতানির মাধ্যমে টাকা পাচারের ঘটনা বাড়ছেই। বিশেষ করে পোশাক শিল্প রফতানির আড়ালে বছরে পাচার হয় প্রায় ৬৪ হাজার কোটি টাকা। এভাবে গত সাত বছরে পাচার হয়েছে প্রায় সাড়ে ৪ লাখ কোটি টাকা। ওয়াশিংটনভিত্তিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান গ্লোবাল ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টিগ্রিটির (জিএফআই) এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য উঠে এসেছে। আন্তর্জাতিক এই প্রতিষ্ঠানের প্রতিবেদন আমলে নিয়ে ইতোমধ্যে অনুসন্ধানে নেমেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
জানা গেছে, ঢাকার সাভারের ‘একেএম নিটওয়্যারের’ ১৭৫ কোটি টাকা অর্থপাচারের অভিযোগে বর্তমানে মাঠে কাজ করছে দুদক। সংশ্লিষ্ট একাধিক নির্ভরযোগ্য সূত্র মতে, অর্থ পাচারের বিষয়ে দুদকের নজরদারিতে রয়েছে প্রায় অর্ধশত গার্মেন্ট মালিক।
বিশ্বের বিভিন্ন দেশে অর্থ পাচার নিয়ে নিয়মিত প্রতিবেদন প্রকাশ করে ওয়াশিংটনভিত্তিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান গ্লোবাল ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টিগ্রিটি (জিএফআই)। জিএফআইয়ের সর্বশেষ প্রতিবেদনের তথ্যানুযায়ী, বাংলাদেশ থেকে পণ্য আমদানি-রফতানির মিথ্যা ঘোষণার মাধ্যমে বছরে ৬৪ হাজার কোটি টাকা পাচার হয়। এভাবে গত সাত বছরে বাংলাদেশ থেকে পাচার হয়েছে সাড়ে ৪ লাখ কোটি টাকা। জিএফআই বলছে, মূল্য ঘোষণার বাড়তি অংশের অর্থই পাচার হচ্ছে বিদেশে।
জানা গেছে, পণ্য আমদানি-রফতানির সময় প্রকৃত মূল্য দেখানো হয় না। মূল্য ঘোষণার বাড়তি অংশই পাচার হয় বিদেশে। জিআইএফ’র ওই প্রতিবেদন আমলে নিয়ে অর্থ পাচারকারী শনাক্তে মাঠে নেমেছে দুদকের অনুসন্ধানী টিম। কিন্তু প্রতিবেদনটিতে অর্থ পাচারের পরিমাণ ও পদ্ধতি সম্পর্কে উল্লেখ থাকলেও পাচারকারীদের কোনো নাম নেই।
দুর্নীতি দমন কমিশনের কমিশনার (তদন্ত) এ এফ এম আমিনুল ইসলাম বলেন, ‘অভিযোগটি বছরে ৬৪ হাজার কোটি টাকা পাচার সংক্রান্ত। প্রাথমিকভাবে এটিকে আমরা দুদকের তফসিলভুক্ত অপরাধ হিসেবে দেখছি। সেজন্য দুদক অভিযোগটি পেয়ে ইতোমধ্যে অনুসন্ধান শুরু করেছে। সবোর্চ্চ গুরুত্ব দিয়ে এর অনুসন্ধান করছে কমিশন। বর্তমানে আমরা আল মুসলিম গ্রুপের মালিকদের ১৭৫ কোটি টাকা পাচারের তথ্য অনুসন্ধান করছি। এ অর্থ আমাদের দেশের ও জনগণের। এত অর্থ অবৈধভাবে বিদেশে পাচার কোনোভাবেই মেনে নেয়া যায় না। এবং দুদক তা মেনেও নেবে না ‘

মানিলন্ডারিং অপরাধের ক্ষেত্রে সর্বনিম্ন চার বছর ও সর্বোচ্চ ১২ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ডের বিধান রয়েছে। এছাড়া অতিরিক্ত অপরাধের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সম্পত্তি রাষ্ট্রের অনুকূলে বাজেয়াপ্তকরণ ও সংশ্লিষ্ট সম্পত্তির দ্বিগুণ মূল্যের সমপরিমাণ বা ১০ লাখ টাকা অর্থদণ্ডও করা হতে পারে।

নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন

এই ক্যাটাগরির আর নিউজ
© All rights reserved © vira-l.com 2017-2022
themesba-lates1749691102
Bengali English