একদিকে বিশ্বময় মহামারী করোনাভাইরাস অপর দিকে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে দেখা দিয়েছে শীতের তীব্রতা। এতে করে সাধারণ খেটে খাওয়া এবং দরিদ্র মানুষ পড়েছে বড়ই বিপাকে। গরীব ও খেটে খাওয়া মানুষদের স্বাস্থ্যগত
জাকাত, সাদকা, ফিতরা ইত্যাদি হলো মানুষের ময়লা। এ ময়লা থেকে যত দূরে থাকা যায় ততই ভালো। তাই মহানবী সা: ও তাঁর বংশের জন্য জাকাত, ফিতরা, সাদকা ভক্ষণ করা হারাম। রাসূলুল্লাহ
মানুষ স্বভাবতই গুনাহ বা অপরাধপ্রবণ হয়। এটি মানব চরিত্রের সৃষ্টিগত বৈশিষ্ট্য। আর মহান আল্লাহ ক্ষমাশীল, তিনি ক্ষমা করতে ভালোবাসেন। তবে শর্ত হলো, গুনাহের পর সেটি গোপন রেখে অনুতপ্ত হয়ে আল্লাহর
আধুনিকতার নামে গা ভাসিয়ে দেয়া কখনো কোনো মুসলিম যুবক-যুবতীর কাজ হতে পারে না। মুসলমান তাকেই বলা যায়, যার ঈমান বিদ্যমান থাকে। কিন্তু যদি ঈমান হারিয়ে যাওয়ার মতো কোনো কর্মকাণ্ডে লিপ্ত
ধন-সম্পদ মহান আল্লাহর নিয়ামত। কেউ আল্লাহর নির্দেশিত পদ্ধতিতে ধন-সম্পদ অর্জন ও খরচ করলে এটি কিয়ামতের দিন নাজাতের অসিলা হবে। যেহেতু এমন অনেক আর্থিক ইবাদত রয়েছে, যেগুলোর বিনিময়ে জান্নাতপ্রাপ্ত হওয়ার সুযোগ
ইসলাম কোনো ধরনের বৈষম্যকে সমর্থন করে না। মানুষে মানুষে ভেদাভেদ দূর করতে ইসলাম প্রবর্তন করেছে যুগোপযোগী বহু বিধিবিধান। যেমন মানুষের মধ্যে অর্থনৈতিক বৈষম্য রোধ করতে ইসলামে রয়েছে জাকাত ব্যবস্থা। ধনী-গরিব,
সুন্নতমতো গোসল করার জন্য নিম্নোল্লিখিত বিষয়গুলো খেয়াল রাখা প্রয়োজন, যাতে গোসল পরিপূর্ণ হয়। ► গোসল শুরু করার আগে বিসমিল্লাহ পাঠ করা। (জমউল জাওয়ামে : ১৩০৭৩) ► পবিত্রতা অর্জনের নিয়ত করা।
বিজয় আল্লাহর দান। কোরআন কারিমে ‘ফাত্হ’ বা বিজয় নামে আল্লাহ তাআলা একটি সুরাও অবতীর্ণ করেছেন। তাতে বলা হয়েছে, ‘নিশ্চয়ই আমি আপনাকে সুস্পষ্ট বিজয় দান করেছি।’ (সুরা-৪৮ ফাত্হ, আয়াত: ১)। এই
যিনি ঈমানদার, যিনি আল্লাহর ওপর তায়াক্কুল করেন তিনিই সর্বদা আশাবাদ ব্যক্ত করেন। ইসলাম ও ঈমান মানুষের আশা আকাক্সক্ষাকে উৎসাহিত করে, পক্ষান্তরে নিরাশা, হতাশাকে করে নিরুৎসাহিত। প্রকৃতপক্ষে যিনি আল্লাহকে প্রভু, রাসূল
অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানো ইবাদত। নিঃস্ব, নির্যাতিত ও বিপদগ্রস্ত মানুষের সাহায্যে এগিয়ে আসা, তাদের প্রতি সহানুভূতি-সহমর্মিতার হাত প্রসারিত করা নিঃসন্দেহে বরকতময় ও পুণ্যময় কাজ। মানুষের কষ্ট, দুর্দশা দেখে যার হৃদয়ে