১. দস্তরখান বিছানো—যেন এর মধ্যে কোনো কিছু লেখা না থাকা। (নাইলুল আওতার : ৮/১৬৭) ২. উভয় হাতের কবজি পর্যন্ত ধোয়া এবং তা মুছে না ফেলা। (আদ্দুররুল মুখতার : ৬/৩৪০) ৩.
আজকাল রাস্তা-ঘাটসহ প্রায় জায়গায় বিভিন্ন আকৃতির মূর্তি ও মানুষের ভাস্কর্য দেখা যায়। আর এটা কত বড় পাপ সে সম্পর্কে আমরা সবাই জানলেও তার গুরুত্ব দেই না। ইসলাম এ সম্পর্কে বলেছে,
ইসলামে মানুষের জীবন ও মর্যাদা অপরিসীম। মুসলিম হয়ে অন্য মুসলিমের প্রতি হিংসা-বিদ্বেষ পোষণ করা, সীমালঙ্ঘন ও বাড়াবাড়ি করা নিষিদ্ধ। বিদায় হজের ভাষণের আগে সাহাবিদের রাসুল (সা) বলেন, ‘তোমরা মানুষকে নীরব
আমরা জানি, স্ট্যাচু বলতে মূর্তিকে বোঝানো হয়। সুতরাং কাবা শরিফকে স্ট্যাচু বলা মানে মূর্তি বলা। আর কাবা শরিফকে স্ট্যাচু বা মূর্তি বলে মন্তব্য করা এটা পরিষ্কারভাবে ইসলামকে অবমাননা করা, ধর্ম
আবদুর রহমান ইবনে সামুরা (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সা.) আমাকে বলেন, ‘হে আবদুর রহমান ইবনে সামুরা! তুমি নেতৃত্ব চেয়ে নিয়ো না। কেননা চাওয়ার পর যদি তোমাকে দেওয়া হয়, তবে তার
ইসলামের চার খলিফার শাসনামল বা খোলাফায়ে রাশেদীন ছিল সুশাসন ও ন্যায়- পরায়ণতার দৃষ্টান্ত। রসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম মদিনায় যে কল্যাণ রাষ্ট্রের সূচনা করেন সে রাষ্ট্রের পতাকাকে শক্ত হাতে বহন
সময়টা ছিল ১৯৭৯, তখন মদিনা ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রথম বর্ষে পড়ছি। এর আগে ১৯৭৮ সালে বাংলাদেশে ‘আৎ তাখাসসুস ফিল ফিকহ’ বা ইফতা পড়ায় ফিকাহ শাস্ত্রের প্রতি আমার নিজের মধ্যে আকর্ষণ তৈরি
ঐতিহাসিকদের বর্ণনামতে প্রিয় নবীর পুত্রসন্তান ছিল তিনজন; কাসেম (তাঁর নামানুসারে নবীজি (সা.)-এর উপনাম হয়েছিল আবুল কাসেম), তাহের (কেউ কেউ বলেছেন তাঁর নাম ছিল আবদুল্লাহ), ইবরাহিম এবং চার কন্যা—জয়নব, রুকাইয়া, উম্মে
হাসান বসরীকে জীবনে বহুবার শাসকগোষ্ঠীর মুখোমুখি দাঁড়াতে হয়েছে, কিন্তু তিনি তাদের মুখোমুখি দাঁড়িয়ে সত্য প্রকাশে কখনো দ্বিধান্বিত হননি। এমনকি সত্যকে ঘুরিয়ে পেঁচিয়ে বলতেও চেষ্টা করেননি। বরং তিনি সবসময় সত্যকে সোজাসুজি
ইসলাম শান্তিপূর্ণ ধর্ম। সর্বক্ষেত্রে শান্তির বিধান নিশ্চিত করে প্রেম-প্রীতি, সৌহার্দ্য আর শান্তি ও সম্প্রীতির এক পরিমণ্ডল বিশ্বজুড়ে প্রতিষ্ঠিত করাই ইসলামের মূল লক্ষ্য। ইসলাম মানুষের জীবনে শান্তির এমন বায়ু প্রবাহিত করে